
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বিভিন্ন স্থানে তিন দিন বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার (৯ মে ) কিছুটা কমে আসে। তাপমাত্রাও খানিকটা বেড়ে যায়। তবে তাপপ্রবাহ হয়নি কোথাও। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ শুক্রবার দেশে বৃষ্টি আগের দিনের চেয়ে বাড়তে পারে। তাতে তাপমাত্রা আরও খানিকটা কমে যেতে পারে। আজ দেশের ছয় বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতিদিন দেশের ৪৪টি স্টেশনের আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলে ধরে। এর মধ্যে গতকাল আটটি স্টেশন বাদে আর কোথাও বৃষ্টি হয়নি। আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের ২৪টি স্টেশনে বৃষ্টি হয়েছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, আবার কমে গরম বেড়ে যাওয়া এখনকার সময়ের বৈশিষ্ট্য। এটা প্রাক্-মৌসুমি বায়ুর সময়। এ সময়টায় এমন হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ মে ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টির ফলে আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ মে ) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে, ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে, ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এপ্রিল মাসের প্রথম দিন থেকে পুরো মাস দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। চলতি মাসের ৬ তারিখ পর্যন্ত তাপপ্রবাহ ছিল। তবে মাসের দ্বিতীয় দিন থেকে বৃষ্টি শুরু হলে তাপপ্রবাহের এলাকা কমতে থাকে। তিন দিন হলো দেশের কোথাও আর তাপপ্রবাহ নেই।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, এমন বৃষ্টি এবং মোটামুটি সহনীয় তাপমাত্রা আগামী সোমবার পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর তাপমাত্রা আবার খানিকটা বাড়তে পারে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে তিন দিন বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার (৯ মে ) কিছুটা কমে আসে। তাপমাত্রাও খানিকটা বেড়ে যায়। তবে তাপপ্রবাহ হয়নি কোথাও। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ শুক্রবার দেশে বৃষ্টি আগের দিনের চেয়ে বাড়তে পারে। তাতে তাপমাত্রা আরও খানিকটা কমে যেতে পারে। আজ দেশের ছয় বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতিদিন দেশের ৪৪টি স্টেশনের আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলে ধরে। এর মধ্যে গতকাল আটটি স্টেশন বাদে আর কোথাও বৃষ্টি হয়নি। আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের ২৪টি স্টেশনে বৃষ্টি হয়েছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, আবার কমে গরম বেড়ে যাওয়া এখনকার সময়ের বৈশিষ্ট্য। এটা প্রাক্-মৌসুমি বায়ুর সময়। এ সময়টায় এমন হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ মে ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টির ফলে আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ মে ) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে, ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে, ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এপ্রিল মাসের প্রথম দিন থেকে পুরো মাস দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। চলতি মাসের ৬ তারিখ পর্যন্ত তাপপ্রবাহ ছিল। তবে মাসের দ্বিতীয় দিন থেকে বৃষ্টি শুরু হলে তাপপ্রবাহের এলাকা কমতে থাকে। তিন দিন হলো দেশের কোথাও আর তাপপ্রবাহ নেই।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, এমন বৃষ্টি এবং মোটামুটি সহনীয় তাপমাত্রা আগামী সোমবার পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর তাপমাত্রা আবার খানিকটা বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বায়ুপ্রবাহের কারণে গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, গত পাঁচ মাস সময়ে গড়ে প্রতি মাসে হাম ও হামের উপসর্গে ১৮০ জন করে মারা গেছে। সে হিসাবে গত পাঁচ মাস ধরে গড়ে প্রতিদিন ছয়জন মারা যাচ্ছে হাম অথবা হামের উপসর্গ নিয়ে।
২০ ঘণ্টা আগে