
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈশাখের শেষ ভাগে এসে খরতাপে পুড়ছে দেশ। অন্তত ৪৫ জেলায় বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। এর মধ্যে আবহাওয়া অফিস ৭২ ঘণ্টার জন্য সারা দেশে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করেছে। বলা হয়েছে, এ সময়ে কোনো কোনো অঞ্চলে তাপপ্রবাহ তীব্র হয়ে উঠতে পারে।
শুক্রবার (৯ মে) দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তর এই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করেছে।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানার সই করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও কোথাও তা তীব্র তাপপ্রবাহ আকারে বিরাজ করতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তাকে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গেলে তাকে বলা হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।
এ দিন সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসেও দেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধির আভাস দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপামাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি আরও দুই থেকে তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর সারা দেশেই তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে।
এর আগে বৃহস্পতিবারের তথ্য বলছে, দেশের ৪৫ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে চলছে। এ দিন রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, রাজারহাট, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, বরিশাল, পটুয়াখালী জেলা এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়, ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দিন ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বৈশাখের শেষ ভাগে এসে খরতাপে পুড়ছে দেশ। অন্তত ৪৫ জেলায় বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। এর মধ্যে আবহাওয়া অফিস ৭২ ঘণ্টার জন্য সারা দেশে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করেছে। বলা হয়েছে, এ সময়ে কোনো কোনো অঞ্চলে তাপপ্রবাহ তীব্র হয়ে উঠতে পারে।
শুক্রবার (৯ মে) দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তর এই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করেছে।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানার সই করা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও কোথাও তা তীব্র তাপপ্রবাহ আকারে বিরাজ করতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তাকে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গেলে তাকে বলা হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।
এ দিন সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসেও দেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধির আভাস দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপামাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি আরও দুই থেকে তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর সারা দেশেই তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে।
এর আগে বৃহস্পতিবারের তথ্য বলছে, দেশের ৪৫ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে চলছে। এ দিন রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, রাজারহাট, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, বরিশাল, পটুয়াখালী জেলা এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল।
বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়, ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দিন ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আহত কর্মকর্তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষ্যে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে আগামী শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলা শুরু হচ্ছে। সকাল ১০টায় এ বইমেলার উদ্বোধন হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
পলিথিন ও প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতকাল (৮ সেপ্টেম্বর) থেকেই সারা দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ এবং অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে