
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গোত্রীয় নাম রুয়েলিয়া। বাংলা নাম পটপটি। পটপটি বুনো গুল্ম, একেবারে দুষ্প্রাপ্য নয়।
পটপটি বর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বারোমাসি বলা চলে। বুনো ঝোপের আড়ালে, পরিত্যক্ত ফসল ক্ষেত, বাঁশবাগানে ঝোপের আড়ালে এদের দেখা মেলে। পটপটি প্রকৃতির বড্ড লাজুক মেয়ে, তাই যেখানে-সেখানে এদের দেখা মেলে না। একটা জংলা মতো ছায়াঘেরা পরিবেশে এরা ভালো জন্মায়। ছোট্ট গুল্ম। উচ্চতা ১ থেকে ২ ফুট মাত্র। কাণ্ড শক্ত। কার বেড় কয়েক মিলিমিটার মাত্র। কাণ্ড থেকে চার পাঁচটা ডাল বের হয়। কাণ্ড সবুজ রঙের।
পটপটির পাতা সবুজ রঙের। উপবৃত্তাকার। নরম। খুব পাতলা নয়। কিছুটা মখমলের মতো। পাতার উভয় পিঠে ও ডালে সাদা সাদা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শুঁঙ্গ আছে। তবে শুঁঙ্গ বিষাক্ত নয়। পাতার বোঁটা থেকে শীর্ষ ফলক পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ২ ইঞ্চি। প্রস্থ ১ ইঞ্চি। কাণ্ড ও ডালের ৩-৪ ইঞ্চি দূরে দূরে একটা করে গিঁঠ থাকে। প্রতিটা গিঁঠ থেকে ৩-৪টা পাতা বের হয়।
পটপটির ফুল নীলচে সাদা। এক পাঁপড়ির। মাইকের মতো দেখতে। তবে পাঁচটা ফলকে বিভক্ত। তারা আকৃতির। গাছের তুলনায় ফুল বেশ বড়ই বলতে হবে। দু-ইঞ্চি মতো লম্বা হয় ফুল। ফুলের ব্যাস দেড় ইঞ্চি। মঞ্জুরি একপুষ্পক। প্রতিটা পাতার গোড়ায় একটা করে ফুল ফোটে।
আগেই বলেছি রুয়েলিয়ার ফল ছোটদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। ফল দেখতে অদ্ভুত। আর দশটা ফলের মতো গোলাকার নয়। ঠিক যেন বর্ষার ফলা। ফলায় যেমন চিকন বাট থাকে। আগাটা তার তুলনায় চওড়া। রুয়েলিয়ার ফল সেরকম। ছবি দেখলে বুঝতে পারবেন।
কাঁচাফল সবুজ রংয়ের। বোঁটার গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ০.৭৫ থেকে ১ ইঞ্চি লম্বা হয়। ফল চ্যাপ্টা। চওড়া ২-৩ মিলিমিটার। কিন্তু গোড়ার দিকে ১ মিলিমিটারও নয়। ফল পাকলে ধূসর বাদামী। পাকা ফলও খুব পছন্দের। পাকা ফল পানিতে ফেললে পটপট শব্দ করে ফেটে যায়। তাই এর আরেক নাম পটপটি। আসলে ফল চার চেম্বারে ভাগ করা। পানির সংস্পর্শে এলে চেম্বারগুলো দ্রুত ফোটে আলাদা হয়ে যায়।
প্রতিটা চেম্বারের ভেতর আট দশটা করে পাতলা বিচি আছে। বিচি অনেকটা মরিচ কিংবা টমেটোর বিচির মতো। ততটাই ছোট এবং পাতলা। বীজ দ্বিবীজপত্রী। বর্ষার শুরুতেই বীজ থেকে চারা গজায়। শেষ দিকে এসে ফুল ফল ধরে।
এদেশের যত্রতত্র দেখা গেলেও, পটপটি কিন্তু এই এদেশের উদ্ভিদ নয়। এর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকার গায়ানা, পেরু ও কলম্বিয়া। ষোড়শ শতককে স্প্যানিশ মিশনারি ফাদার ফারনান্দোর জাহাজে চেপে এদেশে আসে পটপটি। মোঘল সম্রাটদের বাগানেও এই বুনো উদ্ভিদটি জায়গা করে নেয়।
স্থানীয় নাম : পটপটি
ইংরেজি নাম : Popping pod.
বৈজ্ঞানিক নাম : Ruellia tuberosa.

গোত্রীয় নাম রুয়েলিয়া। বাংলা নাম পটপটি। পটপটি বুনো গুল্ম, একেবারে দুষ্প্রাপ্য নয়।
পটপটি বর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বারোমাসি বলা চলে। বুনো ঝোপের আড়ালে, পরিত্যক্ত ফসল ক্ষেত, বাঁশবাগানে ঝোপের আড়ালে এদের দেখা মেলে। পটপটি প্রকৃতির বড্ড লাজুক মেয়ে, তাই যেখানে-সেখানে এদের দেখা মেলে না। একটা জংলা মতো ছায়াঘেরা পরিবেশে এরা ভালো জন্মায়। ছোট্ট গুল্ম। উচ্চতা ১ থেকে ২ ফুট মাত্র। কাণ্ড শক্ত। কার বেড় কয়েক মিলিমিটার মাত্র। কাণ্ড থেকে চার পাঁচটা ডাল বের হয়। কাণ্ড সবুজ রঙের।
পটপটির পাতা সবুজ রঙের। উপবৃত্তাকার। নরম। খুব পাতলা নয়। কিছুটা মখমলের মতো। পাতার উভয় পিঠে ও ডালে সাদা সাদা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শুঁঙ্গ আছে। তবে শুঁঙ্গ বিষাক্ত নয়। পাতার বোঁটা থেকে শীর্ষ ফলক পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ২ ইঞ্চি। প্রস্থ ১ ইঞ্চি। কাণ্ড ও ডালের ৩-৪ ইঞ্চি দূরে দূরে একটা করে গিঁঠ থাকে। প্রতিটা গিঁঠ থেকে ৩-৪টা পাতা বের হয়।
পটপটির ফুল নীলচে সাদা। এক পাঁপড়ির। মাইকের মতো দেখতে। তবে পাঁচটা ফলকে বিভক্ত। তারা আকৃতির। গাছের তুলনায় ফুল বেশ বড়ই বলতে হবে। দু-ইঞ্চি মতো লম্বা হয় ফুল। ফুলের ব্যাস দেড় ইঞ্চি। মঞ্জুরি একপুষ্পক। প্রতিটা পাতার গোড়ায় একটা করে ফুল ফোটে।
আগেই বলেছি রুয়েলিয়ার ফল ছোটদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। ফল দেখতে অদ্ভুত। আর দশটা ফলের মতো গোলাকার নয়। ঠিক যেন বর্ষার ফলা। ফলায় যেমন চিকন বাট থাকে। আগাটা তার তুলনায় চওড়া। রুয়েলিয়ার ফল সেরকম। ছবি দেখলে বুঝতে পারবেন।
কাঁচাফল সবুজ রংয়ের। বোঁটার গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ০.৭৫ থেকে ১ ইঞ্চি লম্বা হয়। ফল চ্যাপ্টা। চওড়া ২-৩ মিলিমিটার। কিন্তু গোড়ার দিকে ১ মিলিমিটারও নয়। ফল পাকলে ধূসর বাদামী। পাকা ফলও খুব পছন্দের। পাকা ফল পানিতে ফেললে পটপট শব্দ করে ফেটে যায়। তাই এর আরেক নাম পটপটি। আসলে ফল চার চেম্বারে ভাগ করা। পানির সংস্পর্শে এলে চেম্বারগুলো দ্রুত ফোটে আলাদা হয়ে যায়।
প্রতিটা চেম্বারের ভেতর আট দশটা করে পাতলা বিচি আছে। বিচি অনেকটা মরিচ কিংবা টমেটোর বিচির মতো। ততটাই ছোট এবং পাতলা। বীজ দ্বিবীজপত্রী। বর্ষার শুরুতেই বীজ থেকে চারা গজায়। শেষ দিকে এসে ফুল ফল ধরে।
এদেশের যত্রতত্র দেখা গেলেও, পটপটি কিন্তু এই এদেশের উদ্ভিদ নয়। এর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকার গায়ানা, পেরু ও কলম্বিয়া। ষোড়শ শতককে স্প্যানিশ মিশনারি ফাদার ফারনান্দোর জাহাজে চেপে এদেশে আসে পটপটি। মোঘল সম্রাটদের বাগানেও এই বুনো উদ্ভিদটি জায়গা করে নেয়।
স্থানীয় নাম : পটপটি
ইংরেজি নাম : Popping pod.
বৈজ্ঞানিক নাম : Ruellia tuberosa.

এছাড়া অন্য আরেকটি প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলীকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ হিসেবে নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী পদমর্যাদায় মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিসভায় যেমন ৮০ বছরের প্রজ্ঞা আছে, তেমনি ৩৫ বছরের তারুণ্যের তেজও আছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা মিজানুর রহমান মিনু (৭৫) কিংবা দক্ষিণের মীর শাহে আলম (৬৭) যেমন আছেন, তেমনি তারুণ্যের প্রতিনিধি হয়ে চট্টগ্রামের মীর হেলাল (৪২) বা যশোরের অমিতের (৪৪) মতো নেতারা আগামী দিনের নেতৃত্বের মহড়া দিচ্ছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, ভারতের স্পিকার তারেক রহমানকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং উভয় নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে