
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে মোট ৭৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিশাল জাহাজ। সোমবার ভোর ৪টার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ ‘টর্ম সিঙ্গাপুর’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। এর কিছুক্ষণ পরই বেলা ১১টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেলের চালান নিয়ে মাশাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘সি র্যাপোটর’ নামের আরেকটি জাহাজ বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়।
দৈনিক সাড়ে ১২ হাজার টন ব্যবহারের হিসাব অনুযায়ী, নতুন করে আসা এই ডিজেল দিয়ে দেশের আগামী পাঁচ দিনেরও বেশি সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, আমদানি করা এই জ্বালানি তেল খালাসের পর দ্রুতই তা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
জাহাজ দুটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সকালে জাহাজ দুটি আসার পর এখন লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস করার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
এর আগেও জ্বালানি তেলের বেশ কিছু চালান চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। গত ৬ মে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘সেস ব্র্যাভ’ নামের একটি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছিল। এছাড়া গত ৪ মে আরও একটি জাহাজ ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে বন্দরে আসে।
একের পর এক জ্বালানি তেলের চালান আসায় দেশের বাজারে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষ করে শিল্প উৎপাদন ও পরিবহন খাতে এই ডিজেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে লাইটারিং বা ছোট জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে এই জ্বালানি প্রধান ডিপোগুলোতে নেওয়া হয়। প্রাইড শিপিং লাইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ চেইন সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় করে কাজ করছে। এই নতুন চালানের ফলে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ আরও শক্তিশালী হলো।
রাজনীতি/এসআই

মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে মোট ৭৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে দুটি বিশাল জাহাজ। সোমবার ভোর ৪টার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ডেনমার্কের পতাকাবাহী জাহাজ ‘টর্ম সিঙ্গাপুর’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। এর কিছুক্ষণ পরই বেলা ১১টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেলের চালান নিয়ে মাশাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী ‘সি র্যাপোটর’ নামের আরেকটি জাহাজ বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়।
দৈনিক সাড়ে ১২ হাজার টন ব্যবহারের হিসাব অনুযায়ী, নতুন করে আসা এই ডিজেল দিয়ে দেশের আগামী পাঁচ দিনেরও বেশি সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, আমদানি করা এই জ্বালানি তেল খালাসের পর দ্রুতই তা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
জাহাজ দুটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, সকালে জাহাজ দুটি আসার পর এখন লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস করার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
এর আগেও জ্বালানি তেলের বেশ কিছু চালান চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। গত ৬ মে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘সেস ব্র্যাভ’ নামের একটি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছিল। এছাড়া গত ৪ মে আরও একটি জাহাজ ২৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে বন্দরে আসে।
একের পর এক জ্বালানি তেলের চালান আসায় দেশের বাজারে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষ করে শিল্প উৎপাদন ও পরিবহন খাতে এই ডিজেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে লাইটারিং বা ছোট জাহাজে তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে এই জ্বালানি প্রধান ডিপোগুলোতে নেওয়া হয়। প্রাইড শিপিং লাইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ চেইন সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় করে কাজ করছে। এই নতুন চালানের ফলে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ আরও শক্তিশালী হলো।
রাজনীতি/এসআই

ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে গত বছর ১ জুন রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ। আজ সোমবার সেই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তাল জলরাশির মাঝখানে ভাসছে একটি বিলাসবহুল ডাচ প্রমোদতরি। কিন্তু সেখানে ছিল না অবকাশযাপনের আনন্দ কিংবা সমুদ্রভ্রমণের উচ্ছ্বাস। চারপাশে গভীর সমুদ্র, জাহাজে যাত্রীদের মুখে মাস্ক, ডেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সতর্ক টহল, আর ভেতরে এক অদৃশ্য আতঙ্ক— হান্টাভাইরাস।
৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর পরপর হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার কথা থাকলেও ২০২০ সালের পর সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়নি। ফলে শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার আওতার বাইরে থেকে যায়। এর ফলেই বর্তমানে হামের সংক্রমণ তীব্র আকার ধারণ করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে