
তানভীর হোসেন

মহাবিশ্ব আমাদের প্রতিনিয়ত চমকে দিচ্ছে। এবার এক বিশাল বিস্ময় উঠে এসেছে মহাকাশের অতল গহ্বর থেকে। আবিষ্কৃত হয়েছে মহাবিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোল গুলোর একটি, যাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন,
"আলট্রা ম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল"।
এই দৈত্যাকার ব্ল্যাকহোলটি লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় গ্যালাক্সির কেন্দ্রে, যার নাম LRG 3-757, তার চারপাশে সৃষ্টি হয়েছে এক অবিশ্বাস্য কসমিক দৃশ্য। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন, কসমিক হর্স সু।
এই নামটা এসেছে এর আকৃতি থেকে। দূরের কোনো গ্যালাক্সি থেকে আলো যখন অন্য কোন বিশাল গ্যালাক্সির পাশ দিয়ে আসে, তখন সেই গ্যালাক্সির প্রবল মহাকর্ষ দূরবর্তী আলোকে এমনভাবে বাঁকিয়ে দেয় যে পৃথিবী থেকে আমরা দেখতে পাই এক অর্ধবৃত্ত বা ঘোড়ার নালের মতো এক ধরনের অদ্ভুত আলোকচ্ছটা। এই ঘটনাটাকে বলে, গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং। আর এটি দূর মহাকাশে থাকা অনেক অদৃশ্য বস্তুর খোঁজ পেতে সাহায্য করে।
LRG 3-757 গ্যালাক্সির মাঝখানে যে ব্ল্যাকহোলটি রয়েছে, তার ভর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা হিসেব করে বের করেছেন, ৩৬ বিলিয়ন সূর্যের সমান! হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। একটি ব্ল্যাকহোল আমাদের সূর্যের চেয়েও ৩৬,০০০,০০০,০০০ গুণ বেশি ভারী! ভাবা যায়? এতদিন এমন অতি বিশাল ভরের ব্ল্যাকহোল কেবল অনুমানেই ছিল। এবার বিজ্ঞানীরা সরাসরি প্রমাণ পেলেন এমন এক ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্বের, যা মহাকাশ গবেষণার এক নতুন দ্বার খুলে দিল।
এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ব্রাজিলের জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্লোস মেলো-কার্নেইরো ও তাঁর দল। তাঁরা ব্যবহার করেছেন চিলিতে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ ও হাবল স্পেস টেলিস্কোপের ডেটা। বিজ্ঞানীরা হিসেব করে দেখেছেন, এই কসমিক হর্স সু - এর আকৃতি যেভাবে গঠিত হয়েছে, তা কেবল তখনই সম্ভব যদি এর কেন্দ্রে এক বিশাল আলট্রা ম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল লুকিয়ে থাকে।
ব্ল্যাকহোল সাধারণত জন্ম নেয় নক্ষত্রদের বিস্ফোরণ জনিত মৃত্যুর পর। তবে এত বিশাল বড় ব্ল্যাকহোল কীভাবে তৈরি হলো? এটা একটি অমিমাংসিত প্রশ্ন।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটা হতে পারে বহু গ্যালাক্সির একত্রে সংঘর্ষের ফল। এক সময় হয়তো এই গ্যালাক্সি একটি অতি সক্রিয় কোয়াসার (quasar) ছিল, যার কেন্দ্র থেকে তীব্র শক্তি নির্গত হতো। আবার এটাও হতে পারে, এটি একটি ফসিল গ্যালাক্সি গ্রুপ,
অর্থাৎ বহু ক্ষুদ্র ও প্রাচীন গ্যালাক্সির ধীরে ধীরে মিলে যাওয়া এক বিশাল দানব।
এই আবিষ্কারটি শুধু একটা পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি আমাদের মহাবিশ্বের গঠন আর বিবর্তনের রহস্য আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে ইউরোপের ইউক্লিড মিশন, অথবা চিলির এক্সট্রিমলি লার্জ টেলিস্কোপ (ELT) যদি এ ধরনের আরও ঘটনা আবিষ্কার করতে পারে, তাহলে হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারবো, বিশাল ব্ল্যাকহোল আর গ্যালাক্সি একসাথে কীভাবে বিকশিত হয়েছে বিগত কোটি কোটি বছরে।
সূত্র: আর্থ ডট কম।

মহাবিশ্ব আমাদের প্রতিনিয়ত চমকে দিচ্ছে। এবার এক বিশাল বিস্ময় উঠে এসেছে মহাকাশের অতল গহ্বর থেকে। আবিষ্কৃত হয়েছে মহাবিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোল গুলোর একটি, যাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন,
"আলট্রা ম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল"।
এই দৈত্যাকার ব্ল্যাকহোলটি লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় গ্যালাক্সির কেন্দ্রে, যার নাম LRG 3-757, তার চারপাশে সৃষ্টি হয়েছে এক অবিশ্বাস্য কসমিক দৃশ্য। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন, কসমিক হর্স সু।
এই নামটা এসেছে এর আকৃতি থেকে। দূরের কোনো গ্যালাক্সি থেকে আলো যখন অন্য কোন বিশাল গ্যালাক্সির পাশ দিয়ে আসে, তখন সেই গ্যালাক্সির প্রবল মহাকর্ষ দূরবর্তী আলোকে এমনভাবে বাঁকিয়ে দেয় যে পৃথিবী থেকে আমরা দেখতে পাই এক অর্ধবৃত্ত বা ঘোড়ার নালের মতো এক ধরনের অদ্ভুত আলোকচ্ছটা। এই ঘটনাটাকে বলে, গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং। আর এটি দূর মহাকাশে থাকা অনেক অদৃশ্য বস্তুর খোঁজ পেতে সাহায্য করে।
LRG 3-757 গ্যালাক্সির মাঝখানে যে ব্ল্যাকহোলটি রয়েছে, তার ভর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা হিসেব করে বের করেছেন, ৩৬ বিলিয়ন সূর্যের সমান! হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। একটি ব্ল্যাকহোল আমাদের সূর্যের চেয়েও ৩৬,০০০,০০০,০০০ গুণ বেশি ভারী! ভাবা যায়? এতদিন এমন অতি বিশাল ভরের ব্ল্যাকহোল কেবল অনুমানেই ছিল। এবার বিজ্ঞানীরা সরাসরি প্রমাণ পেলেন এমন এক ব্ল্যাকহোলের অস্তিত্বের, যা মহাকাশ গবেষণার এক নতুন দ্বার খুলে দিল।
এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ব্রাজিলের জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্লোস মেলো-কার্নেইরো ও তাঁর দল। তাঁরা ব্যবহার করেছেন চিলিতে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ ও হাবল স্পেস টেলিস্কোপের ডেটা। বিজ্ঞানীরা হিসেব করে দেখেছেন, এই কসমিক হর্স সু - এর আকৃতি যেভাবে গঠিত হয়েছে, তা কেবল তখনই সম্ভব যদি এর কেন্দ্রে এক বিশাল আলট্রা ম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল লুকিয়ে থাকে।
ব্ল্যাকহোল সাধারণত জন্ম নেয় নক্ষত্রদের বিস্ফোরণ জনিত মৃত্যুর পর। তবে এত বিশাল বড় ব্ল্যাকহোল কীভাবে তৈরি হলো? এটা একটি অমিমাংসিত প্রশ্ন।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটা হতে পারে বহু গ্যালাক্সির একত্রে সংঘর্ষের ফল। এক সময় হয়তো এই গ্যালাক্সি একটি অতি সক্রিয় কোয়াসার (quasar) ছিল, যার কেন্দ্র থেকে তীব্র শক্তি নির্গত হতো। আবার এটাও হতে পারে, এটি একটি ফসিল গ্যালাক্সি গ্রুপ,
অর্থাৎ বহু ক্ষুদ্র ও প্রাচীন গ্যালাক্সির ধীরে ধীরে মিলে যাওয়া এক বিশাল দানব।
এই আবিষ্কারটি শুধু একটা পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি আমাদের মহাবিশ্বের গঠন আর বিবর্তনের রহস্য আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে ইউরোপের ইউক্লিড মিশন, অথবা চিলির এক্সট্রিমলি লার্জ টেলিস্কোপ (ELT) যদি এ ধরনের আরও ঘটনা আবিষ্কার করতে পারে, তাহলে হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারবো, বিশাল ব্ল্যাকহোল আর গ্যালাক্সি একসাথে কীভাবে বিকশিত হয়েছে বিগত কোটি কোটি বছরে।
সূত্র: আর্থ ডট কম।

আইনজীবীরা জানান, খেলাপি ঋণ থাকার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে। পরে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার। হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের ওই আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও মেডআই বাংলাদেশ লিমিটেড (মেডআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর ফলে ডিআরইউর সদস্যরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা ঘরে বসেই মেডআই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি ও সমমান) পরীক্ষার প্রথম দিনেই ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। ফরম পূরণ করেও এসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। সংখ্যার হিসাবে এটি গত দুই বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
১৯ ঘণ্টা আগে
কালেমা খচিত পতাকা বা ইসলামের অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীককে ঘিরে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, অবমাননা কিংবা রাজনৈতিক অপব্যবহার কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
২০ ঘণ্টা আগে