
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিদায়ী এপ্রিল মাসে গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ৪৪টি ঘটনায় ২২ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৬ জন ও আহত হয়েছেন ৫৩৩ জন। পাশাপাশি এপ্রির মাসে সারা দেশে ৪০টি ঘটনায় অন্তত ৭৫ জন সাংবাদিক হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
মঙ্গলবার প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যম ও এইচআরএসএসের নিজস্ব তথ্য অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হয়রানির শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে ৪২ জন আহত, ১৭ জন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও ১০ জনকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে আটক করার পাশাপাশি চারটি পৃথক মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
দেশে গণপিটুনি ও মব সহিংসতার মতো ঘটনা অব্যাহত ছিল। এসব ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ৩৯ জন আহত হয়েছেন। এসব হামলার পেছনে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এপ্রিলে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৯৮টি। এতে ছয়জন নিহত ও ৫৩৩ জন আহত হয়েছেন। মার্চ মাসে ১১৩টি ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও ৯১২ জন আহত হয়েছিলেন। এপ্রিলে এ পরিমাণ কিছুটা কমলেও পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে এইচআরএসএস।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ৪০টি সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ২৪৭ জন আহত হয়েছেন। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে ১১৩ জন আহত হয়েছেন। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ৫৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যান্য সহিংসতার কারণ হিসেবে দলীয় কোন্দল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াইকে দায়ী করা হয়েছে।
রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর পৃথক ১৩টি হামলায় ছয়জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৩৭ জন। প্রতিবেদনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাতটি জনসভা ও সমাবেশে বাধা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এতে ৪৯ জন আহত ও দুজন আটক হন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপও বেড়েছে। ২৩ জনকে আটক ও নয়টি মামলা হয়েছে, যার বেশিরভাগই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে।
প্রতিবেদনে নারী ও শিশুদের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এপ্রিল মাসে ২৯৪ জন নারী ও কিশোরী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। যার মধ্যে ৬৮টি ধর্ষণ ও ৭৯টি যৌন হয়রানির ঘটনা রয়েছে। পারিবারিক সহিংসতায় ৬৪ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শ্রম খাতে ৮০টি ঘটনায় ১৩ জন শ্রমিক নিহত ও ১১৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া অনিরাপদ কর্মপরিবেশের কারণে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় ৬৪ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ক্রমেই সংবেদনশীল হয়ে উঠছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হয়রানি, গণপিটুনি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

বিদায়ী এপ্রিল মাসে গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ৪৪টি ঘটনায় ২২ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৬ জন ও আহত হয়েছেন ৫৩৩ জন। পাশাপাশি এপ্রির মাসে সারা দেশে ৪০টি ঘটনায় অন্তত ৭৫ জন সাংবাদিক হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
মঙ্গলবার প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যম ও এইচআরএসএসের নিজস্ব তথ্য অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হয়রানির শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে ৪২ জন আহত, ১৭ জন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও ১০ জনকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে আটক করার পাশাপাশি চারটি পৃথক মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
দেশে গণপিটুনি ও মব সহিংসতার মতো ঘটনা অব্যাহত ছিল। এসব ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ৩৯ জন আহত হয়েছেন। এসব হামলার পেছনে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এপ্রিলে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৯৮টি। এতে ছয়জন নিহত ও ৫৩৩ জন আহত হয়েছেন। মার্চ মাসে ১১৩টি ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও ৯১২ জন আহত হয়েছিলেন। এপ্রিলে এ পরিমাণ কিছুটা কমলেও পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে এইচআরএসএস।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ৪০টি সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ২৪৭ জন আহত হয়েছেন। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে ১১৩ জন আহত হয়েছেন। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ৫৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যান্য সহিংসতার কারণ হিসেবে দলীয় কোন্দল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াইকে দায়ী করা হয়েছে।
রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর পৃথক ১৩টি হামলায় ছয়জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৩৭ জন। প্রতিবেদনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাতটি জনসভা ও সমাবেশে বাধা দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এতে ৪৯ জন আহত ও দুজন আটক হন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপও বেড়েছে। ২৩ জনকে আটক ও নয়টি মামলা হয়েছে, যার বেশিরভাগই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে।
প্রতিবেদনে নারী ও শিশুদের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এপ্রিল মাসে ২৯৪ জন নারী ও কিশোরী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। যার মধ্যে ৬৮টি ধর্ষণ ও ৭৯টি যৌন হয়রানির ঘটনা রয়েছে। পারিবারিক সহিংসতায় ৬৪ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শ্রম খাতে ৮০টি ঘটনায় ১৩ জন শ্রমিক নিহত ও ১১৬ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া অনিরাপদ কর্মপরিবেশের কারণে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় ৬৪ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতিবেদন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ক্রমেই সংবেদনশীল হয়ে উঠছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হয়রানি, গণপিটুনি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের অধিবেশনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মন্ত্রী।
১০ ঘণ্টা আগে
হাম ও হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৪৪৫ জন শিশু।
১০ ঘণ্টা আগে
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ধারণা জন্মেছে যে বড় প্রকল্প মানেই বড় দুর্নীতি; কাজের মাধ্যমে এই নেতিবাচক ধারণাটি পরিবর্তন করতে হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে ১৫ বছর পর বিজেপি ক্ষমতায় এলেও এতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
১২ ঘণ্টা আগে