
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যন্ত সব শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় শতভাগ শেষ করেছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, গত কয়েক বছরের ইতিহাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বড় ও জটিল কর্মযজ্ঞ শেষ হওয়া একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বিজয় দিবসের প্রাক্কালেই বই মুদ্রণ ও সরবরাহ শেষ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ও আন্তরিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সব পক্ষ— মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান, পরিবহন সংস্থা ও এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস শ্রম ও নিষ্ঠার ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এর ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে সম্পূর্ণ নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার পূর্বেই প্রায় সাড়ে আট কোটিরও বেশি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও প্রস্তুত করা নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং কার্যক্রম। এই সাফল্য সরকারের শিক্ষাবান্ধব নীতি ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অটল প্রতিশ্রুতির সুস্পষ্ট বহির্প্রকাশ। একইসঙ্গে এটি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
এনসিটিবি’র এই ঐতিহাসিক অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, দেশের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই সাফল্য বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও উন্নত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যন্ত সব শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় শতভাগ শেষ করেছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, গত কয়েক বছরের ইতিহাসে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বড় ও জটিল কর্মযজ্ঞ শেষ হওয়া একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বিজয় দিবসের প্রাক্কালেই বই মুদ্রণ ও সরবরাহ শেষ করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ও আন্তরিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সব পক্ষ— মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান, পরিবহন সংস্থা ও এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস শ্রম ও নিষ্ঠার ফলেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এর ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে সম্পূর্ণ নতুন পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়ার পথ সুগম হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার পূর্বেই প্রায় সাড়ে আট কোটিরও বেশি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও প্রস্তুত করা নিঃসন্দেহে একটি অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং কার্যক্রম। এই সাফল্য সরকারের শিক্ষাবান্ধব নীতি ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অটল প্রতিশ্রুতির সুস্পষ্ট বহির্প্রকাশ। একইসঙ্গে এটি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
এনসিটিবি’র এই ঐতিহাসিক অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, দেশের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই সাফল্য বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও উন্নত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আসিফ মাহমুদের দাবি, কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার এমন বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়। এতে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যেই প্রমাণিত— জনমনে এমন একটি ধারণা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি
১৯ ঘণ্টা আগে
গত বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি করে পিডিবি। কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী একসময় এখান থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের
২১ ঘণ্টা আগে