ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানি নির্ধারণ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৬, ২১: ৫০

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের মাসিক সম্মানি নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩৯৬টি গির্জার পুরোহিত, বিহারের অধ্যক্ষ, যাজকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও এই সম্মানি দেওয়া হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবার পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে সারা দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই সম্মানির আওতায় আনা হবে।

রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, মাসিক সম্মানির পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে বিশেষ ভাতাও দেওয়া হবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এক হাজার টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা ও বড়দিন উপলক্ষে দুই হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। ১৫ মার্চের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে উপকারভোগী ব্যক্তিদের কাছে সম্মানির টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। এর আগে ১৪ মার্চ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, দেশের সব মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার বা প্যাগোডা এবং গির্জাকে অন্তর্ভুক্ত করে পুরো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইমামরা মাসে পাঁচ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনরা তিন হাজার টাকা এবং খাদেমরা দুই হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন। মন্দিরের পুরোহিতরা পাবেন পাঁচ হাজার টাকা, সেবায়েত তিন হাজার টাকা, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ পাঁচ হাজার ও উপাধ্যক্ষ তিন হাজার টাকা এবং গির্জার যাজকেরা পাঁচ হাজার ও সহকারী যাজকেরা তিন হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন।

সরকার চার ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ লাগবে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। পরের বছর ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিচার শুরু

দুর্নীতির অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। ১১ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালত অভিযোগ গঠন করেছেন।

৪ ঘণ্টা আগে

বর্তমান সরকারকে উচ্চৈঃস্বরে বকা দেওয়া যায়: জাহেদ উর রহমান

বর্তমান সরকারকে উচ্চৈঃস্বরে বকা দেওয়া যায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

৫ ঘণ্টা আগে

চাঁদাবাজদের ছাড়াতে তদবির করলে আইনগত ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

চাঁদাবাজদের গ্রেফতারের পর যারা তাদের ছাড়াতে থানায় তদবির করতে আসবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।

৫ ঘণ্টা আগে

আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে লড়তে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেল থেকে সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।

৬ ঘণ্টা আগে