
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ওমরা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ বছরের শিশু সন্তান ও নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া মাইক্রোবাসে থাকা আরও ৬ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর লাগোয়া বারঘরিয়া নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। রেজিস্ট্রেশনবিহীন বালুবাহী ড্রাম ট্রাক, ঢাকা মেট্রো চ-১৫-৩১১৩ নং মাইক্রোবাস ও ঢাকা মেট্রো ন-২১-৪০৩৬ নং পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-উপজেলার বুল্লা ইউনিয়ের মানিক মিয়ার ১১ মাসের কন্যা শিশু রাইছা, একই গ্রামের ফজিলাতুন্নেছা (৬৫) এবং মেডিকেল নেওয়ার পথে মাইক্রোবাস চালক পাভেল মিয়া (২০)।
আহতরা হলেন- মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে আবু হানিফ (৪০), মানিক মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার (৩৫), মৃত আব্দুল কাদিরের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৬০)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে মাধবপুরগামী মাইক্রোবাসের যাত্রীরা বাড়িতে ফেরার পথে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে মানিক মিয়ার কন্যা শিশু রাইছা এবং ফজিলাতুন্নেছা মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মেডিকেল নেওয়ার পথে মাইক্রোবাসচালক পাভেল মিয়াও মারা যান।
জানা গেছে, রামপুর গ্রামের রুনা আক্তার, সাফিয়া বেগম ও উনু মোল্লা (৪৯) সৌদি আরবে ওমরা হজ্ব করে গতকাল রাতের ফ্লাইটে দেশে ফিরেন। রাতেই বিমানবন্দর থেকে মাইক্রোযোগে বাড়িতে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ওমরা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ বছরের শিশু সন্তান ও নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া মাইক্রোবাসে থাকা আরও ৬ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর লাগোয়া বারঘরিয়া নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। রেজিস্ট্রেশনবিহীন বালুবাহী ড্রাম ট্রাক, ঢাকা মেট্রো চ-১৫-৩১১৩ নং মাইক্রোবাস ও ঢাকা মেট্রো ন-২১-৪০৩৬ নং পিকআপের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-উপজেলার বুল্লা ইউনিয়ের মানিক মিয়ার ১১ মাসের কন্যা শিশু রাইছা, একই গ্রামের ফজিলাতুন্নেছা (৬৫) এবং মেডিকেল নেওয়ার পথে মাইক্রোবাস চালক পাভেল মিয়া (২০)।
আহতরা হলেন- মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে আবু হানিফ (৪০), মানিক মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার (৩৫), মৃত আব্দুল কাদিরের স্ত্রী সাফিয়া বেগম (৬০)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে মাধবপুরগামী মাইক্রোবাসের যাত্রীরা বাড়িতে ফেরার পথে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে মানিক মিয়ার কন্যা শিশু রাইছা এবং ফজিলাতুন্নেছা মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মেডিকেল নেওয়ার পথে মাইক্রোবাসচালক পাভেল মিয়াও মারা যান।
জানা গেছে, রামপুর গ্রামের রুনা আক্তার, সাফিয়া বেগম ও উনু মোল্লা (৪৯) সৌদি আরবে ওমরা হজ্ব করে গতকাল রাতের ফ্লাইটে দেশে ফিরেন। রাতেই বিমানবন্দর থেকে মাইক্রোযোগে বাড়িতে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
৯ ঘণ্টা আগে