
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ১০৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে জিম্বাবুয়ের সামনে ২১৭ রানের বড় লিড দাড় করায় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিন আগের দিনের সংগ্রহ করা ২৯১ রান নিয়ে মাঠে নামেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।
তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে মিরাজ (১০৪) তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার ব্যাটিং দৃঢ়তায় বড় লক্ষ্যে পৌঁছায় বাংলাদেশ।
মিরাজ ছাড়াও এ ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন সাদমান ইসলাম। ১৮১ বলে ১২০ রান করেছেন তিনি। অন্যান্যদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম ৫৯ বলে ৪০ ও ওপেনার এনামুল হক বিজয় ৮০ বলে ৩৯ রান করেন।
তবে শেষদিকে কার্যকরী হয়েছে অভিষিক্ত তানজিম হাসান সাকিবের ৮০ বলে ৪১ রান। সপ্তম উইকেটে মিরাজকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন এই পেসার। জিম্বাবুয়ের হয়ে অভিষিক্ত ভিনসেন্ট মাসেকেসা নেন ৫ উইকেট।
বাংলাদেশের দেয়া বড় লিডে তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তাইজুল-মিরাজের ঘূর্ণিতে ২২ গজে অসহায় আত্মাহুতি দেয় জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা।
তৃতীয় সেশনে আরও ভয়ংকর রূপ নেই বাংলাদেশি বোলাররা। বিশেষ করে মেহেদী হাসান মিরাজের কার্যকরী বোলিং এ নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় দিন শেষ করতে পারেনি রেডিশিয়ানরা। ১১১ রানেই অল আউট হয় তারা।
এ ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া ৩ উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে, চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২২৭ রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন শন উইলিয়ামস, ১৬৬ বলের মোকাবেলায়। এছাড়া ৫৪ রান করেন নিক ওয়েলচ। বাংলাদেশের পক্ষে তাইজুল ইসলাম ৬টি, নাঈম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান সাকিব ১টি উইকেট শিকার করেন।

চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ১০৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে জিম্বাবুয়ের সামনে ২১৭ রানের বড় লিড দাড় করায় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিন আগের দিনের সংগ্রহ করা ২৯১ রান নিয়ে মাঠে নামেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।
তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে মিরাজ (১০৪) তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার ব্যাটিং দৃঢ়তায় বড় লক্ষ্যে পৌঁছায় বাংলাদেশ।
মিরাজ ছাড়াও এ ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন সাদমান ইসলাম। ১৮১ বলে ১২০ রান করেছেন তিনি। অন্যান্যদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম ৫৯ বলে ৪০ ও ওপেনার এনামুল হক বিজয় ৮০ বলে ৩৯ রান করেন।
তবে শেষদিকে কার্যকরী হয়েছে অভিষিক্ত তানজিম হাসান সাকিবের ৮০ বলে ৪১ রান। সপ্তম উইকেটে মিরাজকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন এই পেসার। জিম্বাবুয়ের হয়ে অভিষিক্ত ভিনসেন্ট মাসেকেসা নেন ৫ উইকেট।
বাংলাদেশের দেয়া বড় লিডে তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তাইজুল-মিরাজের ঘূর্ণিতে ২২ গজে অসহায় আত্মাহুতি দেয় জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা।
তৃতীয় সেশনে আরও ভয়ংকর রূপ নেই বাংলাদেশি বোলাররা। বিশেষ করে মেহেদী হাসান মিরাজের কার্যকরী বোলিং এ নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় দিন শেষ করতে পারেনি রেডিশিয়ানরা। ১১১ রানেই অল আউট হয় তারা।
এ ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া ৩ উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল ইসলাম।
এর আগে, চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২২৭ রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন শন উইলিয়ামস, ১৬৬ বলের মোকাবেলায়। এছাড়া ৫৪ রান করেন নিক ওয়েলচ। বাংলাদেশের পক্ষে তাইজুল ইসলাম ৬টি, নাঈম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান সাকিব ১টি উইকেট শিকার করেন।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে তিনি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রচারণা ও কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, দেশের শপিংমল, দোকানপাট, মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি সকল বিলবোর্ডের বাতিও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে বলা হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়েছে, রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও কুমিল্লার ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে এবং শাস্তির আওতায় আনতে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে