
ঢাবি প্রতিনিধি

স্বাধীনতা সংগ্রামের যে স্টেজ সেখানে ভূমিকা ছিল কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন ভূমিকা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।
রবিবার বিকেল চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে 'ডায়ালগ ফর ডেমোক্রেসি' আয়োজিত 'ফ্যাসিবাদী বয়ান নির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা: একটি পর্যালোচনা' শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে আলোচকের বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মাহমুদুর রহমান বলেন, '১৯৭২ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা শুরু হয়ে গেল এবং একজন ব্যক্তির বন্দনা করা শুরু হয়ে গেল। যে ব্যক্তির স্বাধীনতার সংগ্রামের যে স্টেজ সেখানে ভূমিকা ছিল কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কোন ভূমিকা ছিল না সেই ব্যক্তির নাম শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে কোনরকম ভূমিকা ছিল না। কারণ শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে স্যারেন্ডার করেন এবং তার পরিবারকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী খাইয়েছে পরিয়েছে তাদের দেখভাল করেছে। কাজেই মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন ভূমিকা ছিল এটা আমি অন্তত ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে মানতে রাজি না।'
তিনি আরও বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধের যে চরিত্রগুলো তাদেরকে আস্তে আস্তে মেরে দেওয়া হল। যেমন মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র যদি আমি বলি জিয়াউর রহমান তিনিই প্রথমে যুদ্ধটা শুরু করেছিলেন। যেটাকে মুক্তিযুদ্ধ বলি। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র জেনারেল ওসমানী। তিনি প্রধান সেনাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মাওলানা ভাসানী। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র তাজউদ্দীন আহমেদ। কারণ তিনি প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সৈয়দ নজরুল তিনি অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাদের নাম কিন্তু মুছে গেল। মুছে গিয়ে ১৯৭২ সালে একটা নামেরি বন্দনা শুরু হয়ে গেল শেখ মুজিবুর রহমান।'
গত পনেরো বছরে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পুরো আমলে বেশিরভাগ গণমাধ্যম ও সংবাদপত্র ফ্যাসিবাদী সরকারের লক্ষ্যে কাজ করেছে। কিছু মূলধারার মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের দেশে ভারতীয় আধিপত্যের সমর্থনে মিডিয়াও ভূমিকা পালন করেছে। মিডিয়া ফ্যাসিবাদী সরকারের অনেক অপরাধ ও অমানবিককরণকে অমানবিক ও বৈধতা দিয়েছে।

স্বাধীনতা সংগ্রামের যে স্টেজ সেখানে ভূমিকা ছিল কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন ভূমিকা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।
রবিবার বিকেল চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে 'ডায়ালগ ফর ডেমোক্রেসি' আয়োজিত 'ফ্যাসিবাদী বয়ান নির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা: একটি পর্যালোচনা' শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে আলোচকের বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মাহমুদুর রহমান বলেন, '১৯৭২ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা শুরু হয়ে গেল এবং একজন ব্যক্তির বন্দনা করা শুরু হয়ে গেল। যে ব্যক্তির স্বাধীনতার সংগ্রামের যে স্টেজ সেখানে ভূমিকা ছিল কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কোন ভূমিকা ছিল না সেই ব্যক্তির নাম শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে কোনরকম ভূমিকা ছিল না। কারণ শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে স্যারেন্ডার করেন এবং তার পরিবারকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী খাইয়েছে পরিয়েছে তাদের দেখভাল করেছে। কাজেই মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন ভূমিকা ছিল এটা আমি অন্তত ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে মানতে রাজি না।'
তিনি আরও বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধের যে চরিত্রগুলো তাদেরকে আস্তে আস্তে মেরে দেওয়া হল। যেমন মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র যদি আমি বলি জিয়াউর রহমান তিনিই প্রথমে যুদ্ধটা শুরু করেছিলেন। যেটাকে মুক্তিযুদ্ধ বলি। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র জেনারেল ওসমানী। তিনি প্রধান সেনাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র মাওলানা ভাসানী। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র তাজউদ্দীন আহমেদ। কারণ তিনি প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সৈয়দ নজরুল তিনি অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাদের নাম কিন্তু মুছে গেল। মুছে গিয়ে ১৯৭২ সালে একটা নামেরি বন্দনা শুরু হয়ে গেল শেখ মুজিবুর রহমান।'
গত পনেরো বছরে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পুরো আমলে বেশিরভাগ গণমাধ্যম ও সংবাদপত্র ফ্যাসিবাদী সরকারের লক্ষ্যে কাজ করেছে। কিছু মূলধারার মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের দেশে ভারতীয় আধিপত্যের সমর্থনে মিডিয়াও ভূমিকা পালন করেছে। মিডিয়া ফ্যাসিবাদী সরকারের অনেক অপরাধ ও অমানবিককরণকে অমানবিক ও বৈধতা দিয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত হয়; তাই জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা শুধু সাংবিধানিক নয়, নৈতিক দায়িত্বও।
৫ ঘণ্টা আগে
বিধি-বিধানের বাইরে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
৫ ঘণ্টা আগে
দায়িত্বরত চিকিৎসকরা ঠিকমতো সেবা দিচ্ছেন কি না, সেটার সরেজমিন তদারকি করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার চিঠিতে তারেক রহমানকে ‘প্রিয় জনাব প্রধানমন্ত্রী’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার মেয়াদ সফল হোক—এই কামনা করি।’
৬ ঘণ্টা আগে