
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক-এগারোর সেনা-সমর্থিত সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জেআইসি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সাক্ষীদের বর্ণনা থেকে পাওয়া এসব তথ্য পর্যায়ক্রমে বিচারে প্রতিফলিত হবে বলে জানান তিনি।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এক-এগারোর সময়ে আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের অহংকার জনাব তারেক রহমানকে আজকের যে জেআইসি সেলটি আমরা পরিদর্শন করেছি, তারই কোনো একটি কামরায় তাকেও সেখানে আনা হয়েছিল এবং তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের একটি অংশ হিসেবে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিত জেআইসিতে আমাদের এই পরিদর্শন। এখানে মানুষকে ধরে এনে বন্দি রেখে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হতো। সেই নির্মম চিত্র আজ এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর জেআইসি সেলের অনেক আলামত নষ্ট করা হয়েছে এবং অসংখ্য তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক অপরাধ করলে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। কিন্তু বিচারবহির্ভূত কোনো কিলিংয়ের শিকার যেন কেউ না হন, এভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সেটিই আমরা চাইব।
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জেআইসি পরিদর্শনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সেখানে থাকা আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।
সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়। যৌথ বাহিনীর হেফাজতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভর্তি করা হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।
এক বছর পর, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্তি পান তারেক রহমান। সেই রাতেই স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান তিনি। শুরু হয় নির্বাসিত জীবন। প্রায় দেড় যুগ পর গত বছর ডিসেম্বরে দেশে ফিরেন তারেক রহমান। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি।
বিগত সরকারের সময়ে জেআইসিতে ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম জানান, “এটি মূলত মানুষকে ধরে এনে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানোর একটি সেল ছিল, যা পরে ‘আয়নাঘর’ হিসেবে পরিচিতি পায়। এই বন্দিশালার কক্ষগুলো ছিল সাউন্ডপ্রুফ এবং জানালা-দরজাবিহীন অন্ধকার প্রকোষ্ঠ।”
তিনি বলেন, “সেখানে ভারী এক্সজস্ট ফ্যান লাগানো ছিল, যাতে বন্দিদের কান্নার শব্দ বাইরে যেতে না পারে। এখানে ব্রিগেডিয়ার আযমীসহ অনেককে দিনের পর দিন অমানবিকভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।”
দীর্ঘদিন পরিবার ও আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত করে আটকে রাখাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “একটা মানুষকে যখন আপনি দিনের পর দিন বন্দি করে রাখবেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবেন, আইনের সহায়তা লাভ থেকে বঞ্চিত করবেন, এটা—এটা সবটাই কিন্তু ‘ক্রাইমস অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটি’।”
প্রচলিত আইনে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটকে রাখার সুযোগ না থাকলেও মাসের পর মাস বন্দি রাখার কোনো যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করে আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “কী কারণে এই আয়নাঘরের প্রয়োজন হয়েছিল, রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদেরই এর ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
আমিনুল ইসলাম আরও জানান, জেআইসিতে ২৬টি এবং টিএফআইতে ২৯টি কক্ষ ছিল। এর বাইরে র্যাব-২ এর দপ্তরে আরও একটি ‘আয়নাঘর’ ছিল, যেখানে নির্যাতনের জন্য ইলেকট্রিক চেয়ার বসানো হয়েছিল। এ ছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির টিএফআই সেলটিও সিলগালা করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে পরিদর্শন করা হবে, বলেন তিনি।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সমালোচনা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “শেখ হাসিনা তার যখন যেমন মন চায়, সেভাবে কথা বলেন, তাদেরই প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের ডিফেন্সের বন্ধুরাও একই ভাষায়, একইরকম করে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেন।”
বিগত সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুম-খুনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে এবং ১ হাজার ৪০০ জন ‘শহীদ’ হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজারের বেশি মানুষ খুন ও ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। ইলিয়াস আলীসহ ২৫০ জনের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা যেন প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেই আহ্বানও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। এ দিন সকালে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান, পূর্বনির্বাচিত সংবাদমাধ্যমকর্মী সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না এবং সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এক-এগারোর সেনা-সমর্থিত সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জেআইসি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সাক্ষীদের বর্ণনা থেকে পাওয়া এসব তথ্য পর্যায়ক্রমে বিচারে প্রতিফলিত হবে বলে জানান তিনি।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এক-এগারোর সময়ে আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের অহংকার জনাব তারেক রহমানকে আজকের যে জেআইসি সেলটি আমরা পরিদর্শন করেছি, তারই কোনো একটি কামরায় তাকেও সেখানে আনা হয়েছিল এবং তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচারের একটি অংশ হিসেবে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিত জেআইসিতে আমাদের এই পরিদর্শন। এখানে মানুষকে ধরে এনে বন্দি রেখে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হতো। সেই নির্মম চিত্র আজ এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর জেআইসি সেলের অনেক আলামত নষ্ট করা হয়েছে এবং অসংখ্য তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক অপরাধ করলে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে। তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। কিন্তু বিচারবহির্ভূত কোনো কিলিংয়ের শিকার যেন কেউ না হন, এভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সেটিই আমরা চাইব।
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জেআইসি পরিদর্শনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সেখানে থাকা আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।
সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়। যৌথ বাহিনীর হেফাজতে তারেক রহমানকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভর্তি করা হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।
এক বছর পর, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্তি পান তারেক রহমান। সেই রাতেই স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান তিনি। শুরু হয় নির্বাসিত জীবন। প্রায় দেড় যুগ পর গত বছর ডিসেম্বরে দেশে ফিরেন তারেক রহমান। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি।
বিগত সরকারের সময়ে জেআইসিতে ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম জানান, “এটি মূলত মানুষকে ধরে এনে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানোর একটি সেল ছিল, যা পরে ‘আয়নাঘর’ হিসেবে পরিচিতি পায়। এই বন্দিশালার কক্ষগুলো ছিল সাউন্ডপ্রুফ এবং জানালা-দরজাবিহীন অন্ধকার প্রকোষ্ঠ।”
তিনি বলেন, “সেখানে ভারী এক্সজস্ট ফ্যান লাগানো ছিল, যাতে বন্দিদের কান্নার শব্দ বাইরে যেতে না পারে। এখানে ব্রিগেডিয়ার আযমীসহ অনেককে দিনের পর দিন অমানবিকভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।”
দীর্ঘদিন পরিবার ও আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত করে আটকে রাখাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “একটা মানুষকে যখন আপনি দিনের পর দিন বন্দি করে রাখবেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখবেন, আইনের সহায়তা লাভ থেকে বঞ্চিত করবেন, এটা—এটা সবটাই কিন্তু ‘ক্রাইমস অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটি’।”
প্রচলিত আইনে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটকে রাখার সুযোগ না থাকলেও মাসের পর মাস বন্দি রাখার কোনো যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করে আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, “কী কারণে এই আয়নাঘরের প্রয়োজন হয়েছিল, রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকা তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদেরই এর ব্যাখ্যা দিতে হবে।”
আমিনুল ইসলাম আরও জানান, জেআইসিতে ২৬টি এবং টিএফআইতে ২৯টি কক্ষ ছিল। এর বাইরে র্যাব-২ এর দপ্তরে আরও একটি ‘আয়নাঘর’ ছিল, যেখানে নির্যাতনের জন্য ইলেকট্রিক চেয়ার বসানো হয়েছিল। এ ছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির টিএফআই সেলটিও সিলগালা করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে পরিদর্শন করা হবে, বলেন তিনি।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সমালোচনা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “শেখ হাসিনা তার যখন যেমন মন চায়, সেভাবে কথা বলেন, তাদেরই প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের ডিফেন্সের বন্ধুরাও একই ভাষায়, একইরকম করে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেন।”
বিগত সরকারের আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুম-খুনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে এবং ১ হাজার ৪০০ জন ‘শহীদ’ হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজারের বেশি মানুষ খুন ও ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। ইলিয়াস আলীসহ ২৫০ জনের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা যেন প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেই আহ্বানও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। এ দিন সকালে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী এ বন্দিশালা পরিদর্শন করেন।
এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রসিকিউশন টিম, আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান, পূর্বনির্বাচিত সংবাদমাধ্যমকর্মী সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক মান্না, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না এবং সাংবাদিক মতিউর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গঠনের কাজ করছেন, সেই সময় একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’ এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে আহ্বান জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ। ঢাকায় আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শুক্রবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে
৮ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং সার্ক সচিবালয়ের মধ্যে ভবিষ্যতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর, যৌথ গবেষণা উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে