
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারের সমন্বয়ে একটি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং সেটির পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন।
রোববার (১৫ ডিসেম্বর) তথ্য ভবনে কমিশনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
কমিশনপ্রধান কামাল আহমেদ সভায় বলেন, ‘গণমাধ্যমকে স্বাধীন, শক্তিশালী ও বস্তুনিষ্ঠ করতে যা যা প্রয়োজন, তা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমের একটি বড় অংশ হচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সংবাদ ও অনুষ্ঠানে বহুমত বা ভিন্নমতের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালকরা, যারা দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের অবস্থা ও উন্নতির জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। সাবেক মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, ‘এখনও সাধারণ শ্রোতা প্রশ্ন করেন, বেতার কি এখনো চালু আছে? নীতিনির্ধারকরা পর্যন্ত এই প্রশ্ন করেন। বেতারের কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান ও ওয়ার্ল্ড নিউজ অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।’
আরেক সাবেক মহাপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, ‘যতদিন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ততদিন সরকারের নির্দেশনায় অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করতে হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন— যদি সম্প্রচার কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে সরকারের চাপ কমবে এবং এই পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে।
শাহজাদী আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচারে কখনো কখনো অলিখিত নির্দেশনা ছিল, যেখানে কেউ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে খুশি করার জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করতো।’
সাবেক মহাপরিচালক নারায়ন চন্দ্র শীল বলেন, ‘সংস্কার হতে হবে, তবে সেই সংস্কারের ফল যদি গ্রামের কৃষক পর্যন্ত পৌঁছায়, তবেই তা সফল হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেতারের এখনো হাজার হাজার শ্রোতা রয়েছে, বিশেষত যেখানে বিদ্যুৎ নেই, সেখানে মানুষ বেতার শোনে।’
খাদিজা বেগম জানান, ‘বেতারে সংস্কার করা প্রয়োজন। বেতারের তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দক্ষ করে তুলতে একটি কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন।’
মজিবুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রচারের ক্ষেত্রে গত ২০ বছরে যে প্রসার হয়েছে, সে অনুযায়ী আমাদের যুগোপযোগী সম্প্রচার আইন ও নীতিমালা প্রয়োজন।’
নাসরুল্লাহ মো. ইরফান জানান, ‘বাংলাদেশ বেতার এখন নিউ মিডিয়াতে চলে এসেছে। সেখানে হাজারো সৃজনশীল অনুষ্ঠান রয়েছে, তবে স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে বেতারের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’
রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ বেতারের সৃষ্টিকাল থেকে আজ পর্যন্ত কখনো কোনো গবেষণা করা হয়নি, যা করা উচিত ছিল।’
অপর সাবেক মহাপরিচালক মো. ছালাহ্ উদ্দিন বলেন, ‘নব্বইয়ের দশকে বেতারের অনুষ্ঠানগুলো যেভাবে মনিটরিং করা হতো, বর্তমানে সেভাবে মনিটরিং হয় না।’
এ সভায় কমিশনপ্রধান কামাল আহমেদ, কমিশনের সদস্য শামসুল হক জাহিদ, আখতার হোসেন খান, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, টিটু দত্ত গুপ্ত ও কামরুন্নেসা হাসান উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারের সমন্বয়ে একটি সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং সেটির পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন।
রোববার (১৫ ডিসেম্বর) তথ্য ভবনে কমিশনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
কমিশনপ্রধান কামাল আহমেদ সভায় বলেন, ‘গণমাধ্যমকে স্বাধীন, শক্তিশালী ও বস্তুনিষ্ঠ করতে যা যা প্রয়োজন, তা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমের একটি বড় অংশ হচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সংবাদ ও অনুষ্ঠানে বহুমত বা ভিন্নমতের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালকরা, যারা দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের অবস্থা ও উন্নতির জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। সাবেক মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, ‘এখনও সাধারণ শ্রোতা প্রশ্ন করেন, বেতার কি এখনো চালু আছে? নীতিনির্ধারকরা পর্যন্ত এই প্রশ্ন করেন। বেতারের কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান ও ওয়ার্ল্ড নিউজ অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।’
আরেক সাবেক মহাপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, ‘যতদিন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ততদিন সরকারের নির্দেশনায় অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করতে হবে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন— যদি সম্প্রচার কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে সরকারের চাপ কমবে এবং এই পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে।
শাহজাদী আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচারে কখনো কখনো অলিখিত নির্দেশনা ছিল, যেখানে কেউ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে খুশি করার জন্য অনুষ্ঠান প্রচার করতো।’
সাবেক মহাপরিচালক নারায়ন চন্দ্র শীল বলেন, ‘সংস্কার হতে হবে, তবে সেই সংস্কারের ফল যদি গ্রামের কৃষক পর্যন্ত পৌঁছায়, তবেই তা সফল হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেতারের এখনো হাজার হাজার শ্রোতা রয়েছে, বিশেষত যেখানে বিদ্যুৎ নেই, সেখানে মানুষ বেতার শোনে।’
খাদিজা বেগম জানান, ‘বেতারে সংস্কার করা প্রয়োজন। বেতারের তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দক্ষ করে তুলতে একটি কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন।’
মজিবুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রচারের ক্ষেত্রে গত ২০ বছরে যে প্রসার হয়েছে, সে অনুযায়ী আমাদের যুগোপযোগী সম্প্রচার আইন ও নীতিমালা প্রয়োজন।’
নাসরুল্লাহ মো. ইরফান জানান, ‘বাংলাদেশ বেতার এখন নিউ মিডিয়াতে চলে এসেছে। সেখানে হাজারো সৃজনশীল অনুষ্ঠান রয়েছে, তবে স্বায়ত্তশাসনের ক্ষেত্রে বেতারের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’
রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ বেতারের সৃষ্টিকাল থেকে আজ পর্যন্ত কখনো কোনো গবেষণা করা হয়নি, যা করা উচিত ছিল।’
অপর সাবেক মহাপরিচালক মো. ছালাহ্ উদ্দিন বলেন, ‘নব্বইয়ের দশকে বেতারের অনুষ্ঠানগুলো যেভাবে মনিটরিং করা হতো, বর্তমানে সেভাবে মনিটরিং হয় না।’
এ সভায় কমিশনপ্রধান কামাল আহমেদ, কমিশনের সদস্য শামসুল হক জাহিদ, আখতার হোসেন খান, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, টিটু দত্ত গুপ্ত ও কামরুন্নেসা হাসান উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ইসি।
১ দিন আগে
জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই— চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হ
১ দিন আগে
সব অনিশ্চয়তাকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত শেষ হলো সেই ভোট। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের ভোট গ্রহণ। এখন ভোট গণনার অপেক্ষা, অপেক্ষা জনরায়ে কারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলো তা জানার।
১ দিন আগে
সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১ দিন আগে