তার জন্মক্ষণ স্মরণ করতেই ২৫ ডিসেম্বর দিনটিকে সারা বিশ্বে তার অনুসারীরা বড়দিন হিসেবে পালন করে থাকেন। তার স্মরণে গির্জা গির্জায় প্রার্থনার আহ্বান জানিয়ে বাজানো হয় ঘণ্টাধ্বনি, যা মানুষের কাছে শুভ সংবাদের বার্তা বয়ে নিয়ে যায় বলে বিশ্বাস করেন খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারীরা।
এর আগে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে লন্ডনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে রওয়ানা হন তারেক রহমান। কিছু সময়ের মধ্যেই তারা বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এখন রয়েছেন দেশের পথে।
গত বছরের ১০ নভেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে খোদা বকশ চৌধুরীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তারেক রহমান। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি আগামীকাল বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। অবত
ময়মনসিংহের ভালুকায় দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা ও তার মরদেহ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতে কয়েকদিন ধরে এমন বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যে দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কলকাতায় উপতদূতাবাসের কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। শিলিগুড়িতে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নিহত সিফাতের বাবা মো. আলাউদ্দিন হাওলাদার জানান, তার ছেলে মো. রেজওয়ান আমিন সিফাত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ঢাকার গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সন্ধ্যার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় বাড়ির সামনের সড়কে গেলে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা সিফাতের চাচাতো ভাই হাসিব
ডিএমপি জানায়, তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানানো ব্যক্তিদের কোনো ব্যাগ, লাঠি ইত্যাদি বহন না করতে অনুরোধ করা হলো; অভ্যর্থনাকারীরা কোন যানবাহন নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের গাড়িবহরে যুক্ত হতে পারবেন না।
প্রায় দেড় যুগ পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে তুলতে এবং রাজকীয় সংবর্ধনা দিতে এ মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান এবং পরে তার বাবা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করার ইচ্ছা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য এমন একটি তারিখ নির্ধারণ করেছেন, যা টানা তিন দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে পড়েছে।’
দেড় যুগ পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, কৌতূহল ও আবেগের সঞ্চার হয়েছে। এ প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার দেশে ফেরা নয়, বরং সর্বজনীন প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান এ