যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনা স্থায়ীভাবে অবসানে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্ধারিত সংলাপে সদিচ্ছা নিয়েই যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানি প্রতিনিধি দল। তবে একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার সংকটেও ভুগছেন এ দলের সদস্যরা।
চট্টগ্রামের দুই নম্বর গেট এলাকায় চিটাগং শপিং কমপ্লেক্সে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দুপুর ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে এ অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানা যায়নি।
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদপোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
অর্থনীতি ও জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্লু ইকোনমির কথা বলা হলেও, বাস্তবে কয়েকটি জাহাজ চলাচল ও মাছ আহরণের বাইরে এ খাতে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
মার্কিন প্রতিনিধি দল পৌঁছানোর আগেই ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফের নেতৃত্বে ৭১ সদস্যের একটি শক্তিশালী ইরানি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে এসে পৌঁছায়। পাকিস্তানের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকরা এই ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতার ভূমিকায় থাকার কথা বলেছিল বেইজিং। সেই অবস্থান ধরে রেখেই যদি গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলের হামলায় দীপালি আক্তার নামের এক প্রবাসী নারী গুরুতর আহত হন তিনি। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। বাংলাদেশ সরকার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ধারণা করছেন, শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার একটি গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় মার্কেট ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ট্রাম্পের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক শক্তি পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আগের চেয়ে আরও উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।