পাকিস্তান রেলওয়ের পক্ষ থেকে কম খরচে মানসম্মত কোচ সরবরাহের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। মূলত দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক এবং রেলওয়ে খাতের আধুনিকায়নে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সফল হলে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার পরপরই ঢাকা থেকে লাহোরের পথে রওয়ানা দেন বুলবুল। বিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, চলমান সংকট ও বিশ্বকাপ ঘিরে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিয়েই এ বৈঠক হওয়ার কথা।
এখন পর্যন্ত ১৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে বড় একটি অংশ ইতিমধ্যেই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং ডাকযোগের মাধ্যমে তা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই ব্যবহারে প্রবাসীদের অভূতপূর্ব সাড়া নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আবদুল আউয়াল মিন্টুকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে মেজবাহ উদ্দিন সাঈদসহ জামায়াতের অন্য নেতারা হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন উল্লেখ করে আরও বলা হয়েছে, এতে তার সম্মানহানি ঘটছে ও তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশ চরম অর্থনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিক বিপর্যয়ের মধ্যে ছিল। দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অপশাসনে রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে পড়ে। সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শত শত বিলিয়ন ডলার পাচার হয়, খেলাপি ঋণে বিপর্যস্ত হয় ব্যাংকিং খাত। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক
দেশ ও রাষ্ট্র যেভাবে চালানো হয়েছিল, যারা তা চালিয়েছিল, তারা আজ পালিয়ে গেছে। দেশকে ঠিক করতে হলে সংস্কার দরকার, আর সেই সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিতেই এ গণভোট।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা যদি আমাদের এই দেশের সেবকের দায়িত্ব দেন, তবে নাহিদ ইসলামের মতো তরুণ মেধাবীদের দেশ সেবার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি আমাদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের যোগ্য।’
জরুরি সেবা, গণমাধ্যম, বিদেশি যাত্রী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকলেও সাধারণ যান চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। মূলত নির্বাচনী নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে বিএনপি, জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের অঙ্কে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা।
অর্থাৎ এ পর্যন্ত তিনবার ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে; এবারেরটি হবে চতুর্থ। তবে নির্বাচনের কারণে বইমেলা কখনো বন্ধ থাকেনি। ১৯৭৯ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলেছে। ১৯৯১ সালেও মেলা চলেছে পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়ে। ১৯৯৬ সালেও একই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ১৯৭৯ সালের মেলাটি কিছুটা ব্যতিক