ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পরে দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’
নিহত ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮)। তিনি পানছড়ির মরাটিলা পদ্মিনীগ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অপচয় রোধে সচেতন হতে হবে। আসন্ন ঈদ মৌসুমে মার্কেটগুলোতে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা না করার জন্যও তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।
হাসপাতালে প্রবেশ করেই তিনি সরাসরি হাজিরা খাতা এবং ডিউটি রোস্টার পরীক্ষা করেন। চিকিৎসকরা ঠিক সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হয়েছেন কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করাই ছিল তার এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য।
এতিম শিশু ও ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে এ ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, সমাজকল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক এবং আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চ
অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন, চিকিৎসক ও মাওলানা আবদুল হামিন খান ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা, হারুণ অর রশীদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোশাহিদা সুলতানা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড, মাহা মির্জা, চলচ্চিত্র নির্মাতা আকরাম খান, সমগীত
প্রসঙ্গত, ইরান তার আশপাশের যেসব দেশে হামলা চালিয়ে সেগুলোর কাছে আজ দুঃখপ্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। কোনো দেশ থেকে ‘প্রথমে হামলা না হলে’ আক্রমণ করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, "দুবাই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে একটি হামলা প্রতিহত করার সময় কিছু ধ্বংসাবশেষ পড়ে সৃষ্ট একটি ছোটখাটো ঘটনা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি"।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে-বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন
কেউ কেউ বলেছেন, শেখ মুজিব হেয়ালি পরিহার করে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিতেন, তাহলে পাকিস্তানের অপ্রস্তুতির সুযোগ নিয়ে আমরা আরও কম জীবন, সম্পদ ও ইজ্জত-আব্রুর বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে যেতাম। কী হতো জানি না, তবে বিতর্ক না বাড়িয়ে অনুমান করা যায়— এটি হতো হঠকারী আচরণের নব সংযোজন এবং তার