নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
সমাপনী বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা মহান মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের দূর ও সাম্প্রতিক ইতিহাসের সব শহিদ, যোদ্ধা ও আহত-পঙ্গুদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্মত্যাগকে জাতির প্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পবিত্র জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আমরা নির্বাচনের আগে প্রায় সব রাজনৈতিক দল জুলাই সনদে সই করেছিলাম। আগেও বলেছি, আজও বলছি— আমরা যে জুলাই সনদে সই করেছিলাম, সেই জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ, অঙ্গীকারবদ্ধ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শেষ হয়েছে। ২৬ কার্যদিবসের এই অধিবেশনে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা হয়েছে ১৪ কার্যদিবসে। সরকারি দলের ২০০ জনসহ মোট ৩১৬ জন সংসদ সদস্য এ আলোচনায় অংশ নেন। এ অধিবেশনে সরকারি বিল পাস হয়েছে ১০টি।
সরকারপ্রধান বলেন, সবগুলোকে একসময় আমরা একটি কার্ডের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই। সে জন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি— পর্যায়ক্রমিকভাবে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসী কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানির কার্ড— সবকিছু আমরা ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ নামে একটি কার্ডের ভেতরে নিয়ে আসব।
পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
টেস্ট আর ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের রানখরা অব্যাহত রয়েছে। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ালেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি সিরিজও শুরু হলো হার দিয়ে। জিম্বাবুয়ের তোলা ৬ উইকেটে ১৭০ রানের জবাবে বাংলাদেশ থেমেছে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে। দল হেরেছে ৩২ রানে।
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ জুলাই জারি করা নির্দেশনায় সাজেকে ভ্রমণের ওপর যে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে পর্যটকেরা আগের মতোই সাজেক ভ্যালিসহ উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখতে পারবেন।