
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

‘এক পরিবারে এক প্রার্থী’ নীতির কারণে দেশের অনেক এলাকাতেই একই পরিবারের দুজন সদস্যকে মনোনয়নের তালিকায় রাখেনি বিএনপি। ব্যতিক্রম পাওয়া গেল টাঙ্গাইলে। এ জেলার এক আসনে বড় ভাই আব্দুস সালাম পিন্টুর নাম প্রার্থী হিসেবে আগেই ঘোষণা করেছিল বিএনপি। এবার জেলার আরেক আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপি মহাসচিব দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনের জন্য দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় টাঙ্গাইল-৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে টুকুর নাম বলেন তিনি। এর আগে প্রথম দফায় টাঙ্গাইল-২ আসনে তার ভাই পিন্টুর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল প্রার্থী হিসেবে।
গোপালপুর ও ভূঞাপুর নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে যাওয়া আব্দুস সালাম পিন্টু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। অন্যদিকে টাঙ্গাইল-৫ তথা সদর আসনটিতে মনোনয়ন পেতে যাওয়া তার আপন ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপির প্রচার সম্পাদক।
টাঙ্গাইল জেলার আটটি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় সাতটি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। টাঙ্গাইল-৫ আসনটি ওই সময় ফাঁকা রাখা হয়েছিল। এ আসনে টুকু ছাড়াও মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
টুকু-ফরহাদ দুজনই এলাকায় নির্বাচন সামনে রেখে প্রচার চালিয়ে আসছেন। এলাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে পালটাপালটি সভা-সমাবেশ। দুজনের কর্মী-সমর্থকরাই নিজ নিজ নেতার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত কপাল খুলল টুকুর। তাতে জেলার দুই আসন থেকে দুই ভাইয়ের প্রার্থিতাও নিশ্চিত হলো।
দুই ভাইয়ের মধ্যে আব্দুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। এর আগে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হন আব্দুস সালাম পিন্টু। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন। গত ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এ মামলায় সব আসামিকে খালাস দেন। পরে ১৭ বছর পর গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর কারামুক্ত হন তিনি।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারই প্রথম লড়তে যাচ্ছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনিও অত্যন্ত পরিচিতমুখ। সভাপতি হিসেবে ছাত্রদল ও যুবদলকে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক তিনি।

‘এক পরিবারে এক প্রার্থী’ নীতির কারণে দেশের অনেক এলাকাতেই একই পরিবারের দুজন সদস্যকে মনোনয়নের তালিকায় রাখেনি বিএনপি। ব্যতিক্রম পাওয়া গেল টাঙ্গাইলে। এ জেলার এক আসনে বড় ভাই আব্দুস সালাম পিন্টুর নাম প্রার্থী হিসেবে আগেই ঘোষণা করেছিল বিএনপি। এবার জেলার আরেক আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপি মহাসচিব দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনের জন্য দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় টাঙ্গাইল-৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে টুকুর নাম বলেন তিনি। এর আগে প্রথম দফায় টাঙ্গাইল-২ আসনে তার ভাই পিন্টুর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল প্রার্থী হিসেবে।
গোপালপুর ও ভূঞাপুর নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে যাওয়া আব্দুস সালাম পিন্টু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। অন্যদিকে টাঙ্গাইল-৫ তথা সদর আসনটিতে মনোনয়ন পেতে যাওয়া তার আপন ছোট ভাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপির প্রচার সম্পাদক।
টাঙ্গাইল জেলার আটটি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় সাতটি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। টাঙ্গাইল-৫ আসনটি ওই সময় ফাঁকা রাখা হয়েছিল। এ আসনে টুকু ছাড়াও মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
টুকু-ফরহাদ দুজনই এলাকায় নির্বাচন সামনে রেখে প্রচার চালিয়ে আসছেন। এলাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে পালটাপালটি সভা-সমাবেশ। দুজনের কর্মী-সমর্থকরাই নিজ নিজ নেতার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত কপাল খুলল টুকুর। তাতে জেলার দুই আসন থেকে দুই ভাইয়ের প্রার্থিতাও নিশ্চিত হলো।
দুই ভাইয়ের মধ্যে আব্দুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। এর আগে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হন আব্দুস সালাম পিন্টু। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন। গত ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এ মামলায় সব আসামিকে খালাস দেন। পরে ১৭ বছর পর গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর কারামুক্ত হন তিনি।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারই প্রথম লড়তে যাচ্ছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনিও অত্যন্ত পরিচিতমুখ। সভাপতি হিসেবে ছাত্রদল ও যুবদলকে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক তিনি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে