
রাজশাহী ব্যুরো

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক শিক্ষককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে পাঁচটার পর পবা উপজেলার নওহাটা আনসার–ভিডিপি ক্যাম্পের কাছে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষক হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শিব শংকর রায়। তিনি এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বাদশা একই মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনাস্থলে শিব শংকর রায় মারা যান।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ওই দুই শিক্ষক মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নাকি অন্য কোনো গাড়ির ধাক্কা দিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। যেহেতু ঘটনাস্থলে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। দুর্ঘটনায় অধ্যাপক শিব শংকর রায় ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদুজ্জামান বাদশাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নওহাটা ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে ফোন পেয়ে আমরা ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে একজনকে মৃত পাই; আরেকজন আহত ছিলেন। তাদের দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরেছি ট্রাকের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।’
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ শংকর কে বিশ্বাস বলেন, অধ্যাপক শিব শংকর রায়কে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বাদশাকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, তিনি হাসপাতালে এসেছেন। ওই দুই অধ্যাপক আজ ভোরে মাছ শিকারে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, সেটা তারাও বুঝতে পারছেন না। এটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুব বেদনার একটি দিন।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক শিক্ষককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে পাঁচটার পর পবা উপজেলার নওহাটা আনসার–ভিডিপি ক্যাম্পের কাছে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিক্ষক হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শিব শংকর রায়। তিনি এবং দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বাদশা একই মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনাস্থলে শিব শংকর রায় মারা যান।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ওই দুই শিক্ষক মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নাকি অন্য কোনো গাড়ির ধাক্কা দিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। যেহেতু ঘটনাস্থলে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। দুর্ঘটনায় অধ্যাপক শিব শংকর রায় ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদুজ্জামান বাদশাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নওহাটা ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে ফোন পেয়ে আমরা ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে একজনকে মৃত পাই; আরেকজন আহত ছিলেন। তাদের দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরেছি ট্রাকের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।’
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ শংকর কে বিশ্বাস বলেন, অধ্যাপক শিব শংকর রায়কে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বাদশাকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, তিনি হাসপাতালে এসেছেন। ওই দুই অধ্যাপক আজ ভোরে মাছ শিকারে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, সেটা তারাও বুঝতে পারছেন না। এটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুব বেদনার একটি দিন।

হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
২ দিন আগে
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উ
২ দিন আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফ
২ দিন আগে
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে দেয়ালে লেখা পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে এক দফা সংঘর্ষের পর বিকেলে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ।
২ দিন আগে