
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরে নারায়ণ পাল (৪০) নামে এক মুদি দোকানিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মোহনগঞ্জ পৌরশহরের দক্ষিণ দৌলতপুরের বসুন্ধরা মোড়ে ওই ব্যবসায়ীর নিজ দোকানের ভেতরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত নারায়ণ পাল মোহনগঞ্জ পৌরশহরের রাউতপাড়া এলাকার মৃত নিরো পালের ছেলে। তিনি মোহনগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় বসুন্ধরা মোড়ে ‘নারায়ণ স্টোর’ নামে মুদি দোকান পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মুদি দোকানি নারায়ণ পালকে তার নিজের দোকানের ভেতরে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।
একজন ক্রেতা রক্তাক্ত মরদেহটি দেখতে পান। এরপর স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহনগঞ্জ মনোহারি ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আর কোনো ব্যবসায়ীর সঙ্গে যেন এমন বর্বর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, খুনিদের শনাক্ত করতে আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। নিহত নারায়ণ পালের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে নেত্রকোণা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ছায়া তদন্ত করছে এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরে নারায়ণ পাল (৪০) নামে এক মুদি দোকানিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মোহনগঞ্জ পৌরশহরের দক্ষিণ দৌলতপুরের বসুন্ধরা মোড়ে ওই ব্যবসায়ীর নিজ দোকানের ভেতরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত নারায়ণ পাল মোহনগঞ্জ পৌরশহরের রাউতপাড়া এলাকার মৃত নিরো পালের ছেলে। তিনি মোহনগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় বসুন্ধরা মোড়ে ‘নারায়ণ স্টোর’ নামে মুদি দোকান পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মুদি দোকানি নারায়ণ পালকে তার নিজের দোকানের ভেতরে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়।
একজন ক্রেতা রক্তাক্ত মরদেহটি দেখতে পান। এরপর স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মোহনগঞ্জ মনোহারি ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আর কোনো ব্যবসায়ীর সঙ্গে যেন এমন বর্বর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, খুনিদের শনাক্ত করতে আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। নিহত নারায়ণ পালের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে নেত্রকোণা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ছায়া তদন্ত করছে এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জের কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে তারা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। রোগীর স্বজনের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন তারা।
১ দিন আগে
হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গন্তব্যে যেতে পারেননি অনেকে। পরে বাধ্য হয়ে কেউ ট্রেন, কেউ মাইক্রোবাস কিংবা স্থানীয় পরিবহনে ভেঙে ভেঙে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
২ দিন আগে
পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উ
২ দিন আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার পলাশকান্দা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফ
২ দিন আগে