
সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার, কক্সবাজার

নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহারের জন্য নিজের এক শুভানুধ্যায়ীর কাছ থেকে একটি গাড়ি উপহার নিয়েছেন মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ‘হাতপাখা’ প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক। এই উপহারকে ‘নিঃস্বার্থ সহায়তা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
জানা গেছে, জিয়াউল হকের উপহার পাওয়া এই গাড়িটি জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা’র ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো মডেলের (২০০৪)। বর্তমান এটির বাজারমূল্য ৪০ লাখ টাকারও বেশি।
গাড়িটি প্রসঙ্গে রোববার (৪ জানুয়ারি) জিয়াউল হক নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা কক্সবাজার-২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনে প্রচার-প্রচারণার কাজে ব্যবহারের জন্য আমার মাদ্রাসার এক সম্মানিত অভিভাবক যে গাড়িটি উপহার হিসেবে প্রদান করেছেন, এ আন্তরিক সহযোগিতার জন্য তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’
এ ছাড়া সেদিন রাত ১১টার দিকে মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি কাজেই তো গাড়িটি ব্যবহার করার জন্য নিয়েছি। ওটা দিয়েছে নির্বাচন পর্যন্ত ব্যবহারের জন্য।’
উপহার হিসেবে পাওয়া গাড়িটি ব্যবহারের বিষয়ে নির্বাচনি আচরণবিধি কী বলে— এমন প্রশ্ন করলে প্রতিবেদককে পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি। বলেন, ‘কেন? গাড়ি ব্যবহার করা কি নিষেধ? গাড়ি নিয়ে কোথাও যাওয়া যাবে না?’ এরপর তিনি ‘একটি প্রোগ্রামে আছেন’ বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সরকারি বা বেসরকারি উৎস থেকে এ ধরনের উপহার গ্রহণ করলে তা ‘অবৈধ প্রভাব’ বিস্তার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ৯(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেল কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক বাহন সহকারে কোনো মিছিল, জনসভা কিংবা কোনো ধরনের শোডাউন করিতে পারিবেন না।’
এদিকে জিয়াউল হক এই গাড়িটি নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহার করলে তা সরাসরি আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ সদস্য আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন চলাকালীন কোনো প্রার্থী উপহার আদান-প্রদান করতে পারেন না। এতে আচরণবিধি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।’
‘তার ওপর তিনি (জিয়াউল হক) প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন নির্বাচনি প্রচারে উপহারের গাড়ি ব্যবহার করবেন। তিনি এই গাড়ি দিয়ে শোডাউন করবেন না— এর দায়ভার কে নেবে? কোনোভাবেই এমন কাজ আইনসম্মত নয়,’— বলেন আইনজীবী আব্দুর রহিম।
উল্লেখ্য, নির্বাচনকালীন কোনো প্রার্থী কোনোভাবেই আচরণবিধি বহির্ভূত কিছু করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারে ‘জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ ছাড়া এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সভায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানও জানান, কোনো প্রার্থী যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তাহলে বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহারের জন্য নিজের এক শুভানুধ্যায়ীর কাছ থেকে একটি গাড়ি উপহার নিয়েছেন মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ‘হাতপাখা’ প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক। এই উপহারকে ‘নিঃস্বার্থ সহায়তা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
জানা গেছে, জিয়াউল হকের উপহার পাওয়া এই গাড়িটি জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা’র ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো মডেলের (২০০৪)। বর্তমান এটির বাজারমূল্য ৪০ লাখ টাকারও বেশি।
গাড়িটি প্রসঙ্গে রোববার (৪ জানুয়ারি) জিয়াউল হক নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা কক্সবাজার-২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনে প্রচার-প্রচারণার কাজে ব্যবহারের জন্য আমার মাদ্রাসার এক সম্মানিত অভিভাবক যে গাড়িটি উপহার হিসেবে প্রদান করেছেন, এ আন্তরিক সহযোগিতার জন্য তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’
এ ছাড়া সেদিন রাত ১১টার দিকে মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি কাজেই তো গাড়িটি ব্যবহার করার জন্য নিয়েছি। ওটা দিয়েছে নির্বাচন পর্যন্ত ব্যবহারের জন্য।’
উপহার হিসেবে পাওয়া গাড়িটি ব্যবহারের বিষয়ে নির্বাচনি আচরণবিধি কী বলে— এমন প্রশ্ন করলে প্রতিবেদককে পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি। বলেন, ‘কেন? গাড়ি ব্যবহার করা কি নিষেধ? গাড়ি নিয়ে কোথাও যাওয়া যাবে না?’ এরপর তিনি ‘একটি প্রোগ্রামে আছেন’ বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সরকারি বা বেসরকারি উৎস থেকে এ ধরনের উপহার গ্রহণ করলে তা ‘অবৈধ প্রভাব’ বিস্তার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ৯(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো বাস, ট্রাক, নৌযান, মোটরসাইকেল কিংবা অন্য কোনো যান্ত্রিক বাহন সহকারে কোনো মিছিল, জনসভা কিংবা কোনো ধরনের শোডাউন করিতে পারিবেন না।’
এদিকে জিয়াউল হক এই গাড়িটি নির্বাচনি প্রচারে ব্যবহার করলে তা সরাসরি আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ সদস্য আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন চলাকালীন কোনো প্রার্থী উপহার আদান-প্রদান করতে পারেন না। এতে আচরণবিধি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।’
‘তার ওপর তিনি (জিয়াউল হক) প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন নির্বাচনি প্রচারে উপহারের গাড়ি ব্যবহার করবেন। তিনি এই গাড়ি দিয়ে শোডাউন করবেন না— এর দায়ভার কে নেবে? কোনোভাবেই এমন কাজ আইনসম্মত নয়,’— বলেন আইনজীবী আব্দুর রহিম।
উল্লেখ্য, নির্বাচনকালীন কোনো প্রার্থী কোনোভাবেই আচরণবিধি বহির্ভূত কিছু করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারে ‘জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ ছাড়া এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সভায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানও জানান, কোনো প্রার্থী যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তাহলে বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
১ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
১ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে
মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২ দিন আগে