
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

দেশের উত্তরবঙ্গের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতালে নেপাল সরকারের সহায়তায় আয়োজিত চার দিনব্যাপী এক বিশেষ চক্ষু শিবিরের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এই উত্তরবঙ্গের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র। অর্থাভাব ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসার জন্য অনেকের পক্ষেই ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। গ্রামের এই সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের হাতের নাগালে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, নেপাল সরকারের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চমৎকার সম্পর্কের সুফল হিসেবে যৌথ উদ্যোগে এ ধরণের বিশেষ চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে, যা এই এলাকার অন্ধত্ব দূরীকরণ ও চক্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানে বড় ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি উপজেলায় এ আই ক্যাম্পের পরিধি সম্প্রসারিত করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল অবকাঠামোগত কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী বিশেষ চক্ষু শিবির (আই ক্যাম্প)।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানা যায়, এলাকার সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার মান ও পরিধি বাড়াতে ইতোপূর্বে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।
এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতিক কার্কি এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন পদ্ম নারায়ন চৌধুরী।
আন্তর্জাতিক এই চিকিৎসা সেবায় প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. চেট রাজ পাটের নেতৃত্বে নেপালের ১২ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক দল অংশ নিচ্ছেন।
আয়োজক সংস্থা ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, এর আগে তারা ২০ হাজার চক্ষু রোগীকে সেবা প্রদান করেছে। এবার চার দিনব্যাপী এই বিশেষ ক্যাম্পে চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যেই ৬ হাজার রোগী নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রথম দফায় প্রায় ৩ হাজার রোগীকে সরাসরি উন্নত চক্ষু সেবা ও চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রোববার সকাল থেকেই বিনামূল্যে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা নিতে শত শত সাধারণ ও প্রান্তিক রোগী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ভিড় জমান।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, ডায়াবেটিক হাসপাতালের সভাপতি ডা. আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

দেশের উত্তরবঙ্গের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতালে নেপাল সরকারের সহায়তায় আয়োজিত চার দিনব্যাপী এক বিশেষ চক্ষু শিবিরের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এই উত্তরবঙ্গের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র। অর্থাভাব ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসার জন্য অনেকের পক্ষেই ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। গ্রামের এই সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের হাতের নাগালে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, নেপাল সরকারের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চমৎকার সম্পর্কের সুফল হিসেবে যৌথ উদ্যোগে এ ধরণের বিশেষ চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে, যা এই এলাকার অন্ধত্ব দূরীকরণ ও চক্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানে বড় ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি উপজেলায় এ আই ক্যাম্পের পরিধি সম্প্রসারিত করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল অবকাঠামোগত কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী বিশেষ চক্ষু শিবির (আই ক্যাম্প)।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানা যায়, এলাকার সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার মান ও পরিধি বাড়াতে ইতোপূর্বে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।
এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতিক কার্কি এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন পদ্ম নারায়ন চৌধুরী।
আন্তর্জাতিক এই চিকিৎসা সেবায় প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. চেট রাজ পাটের নেতৃত্বে নেপালের ১২ সদস্যের একটি অভিজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসক দল অংশ নিচ্ছেন।
আয়োজক সংস্থা ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, এর আগে তারা ২০ হাজার চক্ষু রোগীকে সেবা প্রদান করেছে। এবার চার দিনব্যাপী এই বিশেষ ক্যাম্পে চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যেই ৬ হাজার রোগী নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রথম দফায় প্রায় ৩ হাজার রোগীকে সরাসরি উন্নত চক্ষু সেবা ও চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
রোববার সকাল থেকেই বিনামূল্যে উন্নত চক্ষু চিকিৎসা নিতে শত শত সাধারণ ও প্রান্তিক রোগী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ভিড় জমান।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, ডায়াবেটিক হাসপাতালের সভাপতি ডা. আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কাজলীর মতো আরও কয়েকজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী এবং দরিদ্র পরিবারের নারীর জীবনেও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে এই উদ্যোগ।
২১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই দুপুরে উপজেলার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ছাত্রী ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী (১৩)।
১ দিন আগে