
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনি জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক ভূমিকা ও একাত্তরের প্রেক্ষাপট টেনে কড়া মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘এখন জামায়াতে ইসলামী খুব কথা বলছে। তারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল। আমরা চব্বিশ ভুলব না, একাত্তরও ভুলব না।’
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে আয়োজিত গণসংযোগে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি আরও বলেন, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি। যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য। আমরা হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চাই।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীকে না জেনে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে, তারা সরকার গঠন করবে। এবার সুন্দর নির্বাচন হবে। মন যাকে চাইবে, তাকেই ভোট দেবেন।
বিএনপি জেলার বড় বড় সড়ক, কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল স্থাপন করেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে৷ দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে। বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চাই। কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই। বিমানবন্দর চালুর গুরুত্বের আগে আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেবো। বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী কলেজ করতে চাই৷ সবাই এক হলে কাজগুলো করা সম্ভব হবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আপনাদের ভয় কাজ করে৷ ভয় করবেন না, আপনি এ দেশের নাগরিক, আমিও এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেবো না। কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার৷ এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি, আপনার দেশ।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পুরানা মানুষ, পরীক্ষিত মানুষ, এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবেন। ভোট আপনাদের আমানত, এটার খেয়ানত করব না। আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি৷ সততার সঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনি জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক ভূমিকা ও একাত্তরের প্রেক্ষাপট টেনে কড়া মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘এখন জামায়াতে ইসলামী খুব কথা বলছে। তারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল। আমরা চব্বিশ ভুলব না, একাত্তরও ভুলব না।’
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে আয়োজিত গণসংযোগে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি আরও বলেন, আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি। যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য। আমরা হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চাই।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীকে না জেনে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে, তারা সরকার গঠন করবে। এবার সুন্দর নির্বাচন হবে। মন যাকে চাইবে, তাকেই ভোট দেবেন।
বিএনপি জেলার বড় বড় সড়ক, কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল স্থাপন করেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে৷ দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে। বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চাই। কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই। বিমানবন্দর চালুর গুরুত্বের আগে আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেবো। বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী কলেজ করতে চাই৷ সবাই এক হলে কাজগুলো করা সম্ভব হবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আপনাদের ভয় কাজ করে৷ ভয় করবেন না, আপনি এ দেশের নাগরিক, আমিও এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেবো না। কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার৷ এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি, আপনার দেশ।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পুরানা মানুষ, পরীক্ষিত মানুষ, এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবেন। ভোট আপনাদের আমানত, এটার খেয়ানত করব না। আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি৷ সততার সঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করব।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে তার ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মো. সানিয়াত ও হোসাইন মোহাম্মদ সাকিব মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তুর্জয় মাঝিকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে