শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান মারা গেছেন

শেরপুর প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল আর নেই।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ময়মনসিংহ নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

নেত্রকোনায় জেলা আ.লীগের কার্যালয়ে ছাত্রলীগের ব্যানার

নেত্রকোনা জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকায় শহীদ তিতাস সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তবে এটি টাঙানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

২১ ঘণ্টা আগে

তুরাগে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ১০

দগ্ধরা হলেন— রুবেল (৩০), তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), এনায়েতে ভাগনি আয়েশা (১৯) ও আবুল কালাম রুবেল (৩৫)।

১ দিন আগে

সড়কের পাশে পড়ে ছিল গাজীপুর সুজন সহসভাপতির হাত-পা বাঁধা লাশ

গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিকে’র (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহসভাপতি মো. কামরুজ্জামান মোল্লার (৬৫) হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

২ দিন আগে

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ‘গায়েব’ ২০০ ভরি সোনা

ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাস বলেন, এ ব্যাংকে আমার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর আমার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়ের প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলংকার জমা রাখি। বুধবার বাড়িতে একটি একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেজ কারণে ব্যাংকে এসেছিলাম। কিন্তু লকার খুলে দেখি সেখানে কোনো অলংকার নেই। লকার খালি। বি

২ দিন আগে