
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে কারখানা শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও নিন্দা প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। একই সঙ্গে নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসের বাসভবনে যান এবং তাঁর শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি সরকারের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তাঁদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নাগরিক অধিকারের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে অধ্যাপক আবরার বলেন,"ধর্ম, জাতিসত্তা বা পরিচয় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সমান আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের বিভাজন বা অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না।"
সাক্ষাৎকালে শিক্ষা উপদেষ্টা নিহত দিপুর বাবা রাবিলাল দাসসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, দিপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড একটি জঘন্য অপরাধ, যার কোনো যুক্তি বা গ্রহণযোগ্যতা নেই। অভিযোগ, গুজব বা বিশ্বাসগত মতভেদ কখনোই সহিংসতার অজুহাত হতে পারে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আইনের শাসনের প্রতি অবিচল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ঘটনায় উত্থাপিত সব অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা হবে।
এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই মামলাটি পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনের পূর্ণ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান শিক্ষা উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, দিপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে আর্থিক ও কল্যাণমূলক সহায়তা দেওয়া হবে এবং আগামী দিনগুলোতে সরকার তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখবে।
দেশের সব নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ময়মনসিংহে কারখানা শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও নিন্দা প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। একই সঙ্গে নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসের বাসভবনে যান এবং তাঁর শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি সরকারের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তাঁদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নাগরিক অধিকারের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে অধ্যাপক আবরার বলেন,"ধর্ম, জাতিসত্তা বা পরিচয় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সমান আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো ধরনের বিভাজন বা অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না।"
সাক্ষাৎকালে শিক্ষা উপদেষ্টা নিহত দিপুর বাবা রাবিলাল দাসসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, দিপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড একটি জঘন্য অপরাধ, যার কোনো যুক্তি বা গ্রহণযোগ্যতা নেই। অভিযোগ, গুজব বা বিশ্বাসগত মতভেদ কখনোই সহিংসতার অজুহাত হতে পারে না। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আইনের শাসনের প্রতি অবিচল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ঘটনায় উত্থাপিত সব অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা হবে।
এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই মামলাটি পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনের পূর্ণ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে বলে জানান শিক্ষা উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, দিপু চন্দ্র দাসের পরিবারকে আর্থিক ও কল্যাণমূলক সহায়তা দেওয়া হবে এবং আগামী দিনগুলোতে সরকার তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখবে।
দেশের সব নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরের এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা, তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং ধারণ করা ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
২ দিন আগে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এক কিশোরীর মরদেহ রেখে পালিয়েছেন সঙ্গে আসা দুই ব্যক্তি। ওই কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৬ বছর। তার গলায় কালো দাগ ও দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
২ দিন আগে
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ককটেলসদৃশ একটি বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালতের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থীসহ অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
২ দিন আগে
বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
২ দিন আগে