
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে শান্ত (২৪) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তার লাশ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাতে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ বিওপি এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। বিএসএফ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেফাজতে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত শান্ত উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর ডাংয়েরপাড়া গ্রামের শিপন আলীর ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানান, গত ৫ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৫৪/৩-এস এর কাছে এ ঘটনা ঘটে। সেই সময় ভারতীয় ১৪৬ বিএসএফ কোম্পানির উদয়নগর ক্যাম্প থেকে গুলি ছোড়া হলে শান্ত গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার সময় এলাকাবাসী তিনটি গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে শান্তর পরিবার বিষয়টি বিজিবিকে জানায়।
বিজিবি আরও জানান, বিএসএফ গুরুতর আহত অবস্থায় শান্তকে ভারত সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার হোগলবাড়ী থানায় হস্তান্তর করে। সেখান থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে বিজিবির সহকারী পরিচালক জাকিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্তে বিজিবি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ঘটনার রাতে সীমান্তে শান্তসহ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে বিএসএফ গুলি চালায়। সেই সময় শান্ত গুলিবিদ্ধ হলে আহত অবস্থায় বিএসএফ হেফাজতে নেয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, ৮ ডিসেম্বর বিএসএফের সঙ্গে আমাদের পতাকা বৈঠক হয়েছে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর শান্তর লাশ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ তাদের পরিবারকে হস্তান্তর করব।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে শান্ত (২৪) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তার লাশ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাতে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ বিওপি এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে। বিএসএফ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেফাজতে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত শান্ত উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর ডাংয়েরপাড়া গ্রামের শিপন আলীর ছেলে।
বিজিবি সূত্র জানান, গত ৫ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৫৪/৩-এস এর কাছে এ ঘটনা ঘটে। সেই সময় ভারতীয় ১৪৬ বিএসএফ কোম্পানির উদয়নগর ক্যাম্প থেকে গুলি ছোড়া হলে শান্ত গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার সময় এলাকাবাসী তিনটি গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে শান্তর পরিবার বিষয়টি বিজিবিকে জানায়।
বিজিবি আরও জানান, বিএসএফ গুরুতর আহত অবস্থায় শান্তকে ভারত সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার হোগলবাড়ী থানায় হস্তান্তর করে। সেখান থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে বিজিবির সহকারী পরিচালক জাকিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্তে বিজিবি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ঘটনার রাতে সীমান্তে শান্তসহ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে বিএসএফ গুলি চালায়। সেই সময় শান্ত গুলিবিদ্ধ হলে আহত অবস্থায় বিএসএফ হেফাজতে নেয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, ৮ ডিসেম্বর বিএসএফের সঙ্গে আমাদের পতাকা বৈঠক হয়েছে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর শান্তর লাশ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ তাদের পরিবারকে হস্তান্তর করব।

গুরুতর আহত ইভানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী এলাকায় বাসা থেকে মোহাম্মদ মহসীন ওরফে মৌসুমী হিজড়া (৫২) নামে হিজড়া সম্প্রদায়ের এক নেত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় জখমের চিহ্ন থাকা এবং বাসা থেকে টাকা ও দুটি মুঠোফোন না পাওয়ায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
১ দিন আগে
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে চারটার দিকে ফকিরহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাতশৈয়া গ্রামের মাহবুব মল্লিকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণে আহতদের স্থানীয় ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
গতকাল শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে মধ্য জামগড়া এলাকার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত দুজন হলেন— দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার বড় মাগুড়া পাকপাড়ার নাজমা আক্তার (৩৩) ও তার স্বামী নিশা পলাশবাড়ী এলাকার আলমগীর হোসেন (৪২)।
১ দিন আগে