ঢাকায় আটক লালমনিরহাট জেলা আ.লীগ নেতা কারাগারে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাট জেলা কারাগার। ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. সিরাজুল হক খন্দকারকে (৫৮) আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এক বিএনপি নেতার বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং আরেক বিএনপি নেতার রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলার আসামি তিনি।

গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) ভোরে রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে মুগদা থানা পুলিশের সহায়তায় সিরাজুল হক খন্দকারকে আটক করে লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ। তাকে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গ্রেপ্তার সিরাজুল হক সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক।

স্থানীয় হারাটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, সিরাজুল একসময় মালেশিয়ায় শ্রমিকের কাজ করতেন। ২০০৮ সালে লালমনিরহাট মিলিটারি ফার্মের পাশে ফুটপাতে ক্ষুদ্র চায়ের দোকান দিয়ে নিজেই চা তৈরি করে বিক্রি করতেন। ওই বছরের জাতীয় নির্বাচনে জিতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সিরাজুল যেন আলাউদ্দীনের চেরাগ পেয়ে যান।

সিরাজুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আর্মির জমিতে কেউ বাড়ি তৈরি করতে না পারলেও সিরাজুল সার্কিট হাউজসংলগ্ন জমিতে বহুতল বাড়ি নির্মাণ করেন। রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, সদর থানার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আবদুল মজিদ মণ্ডলের বাড়িসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর এবং শহরের মিশন মোড় এলাকায় ‘হামার বাড়ি’ ভবনে অবস্থিত বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলুর রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা-লুটপাটের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছিল। মামলা দুটির তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজুল হক খন্দকারকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রয়েছে কি না, খোঁজখবর করা হচ্ছে।

ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বনানীতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের আশ্বাসে প্রত্যাহার

বনানী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুম্মন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আলোচনার পর তারা সড়ক ছেড়ে দেন।

৪ ঘণ্টা আগে

জিয়া পরিবারের হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ: নিপুণ রায় চৌধুরী

পথসভায় নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে জনগণের হারানো ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বিএনপি রাজপথে সক্রিয় রয়েছে এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মানুষের এই সমর্থনই প্রমাণ করে যে আসন্ন নির্বাচনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।

৫ ঘণ্টা আগে

মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে: তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে

পটিয়ায় ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ালেন এলডিপি প্রার্থী

১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রধান শরিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলমকে তিনি পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের ডা. ফরিদুল আলমের পক্ষে মাঠে থেকে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।

১০ ঘণ্টা আগে