
রাজশাহী ব্যুরো

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, “দুনিয়ার কল্যাণের সঙ্গে আখিরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে জামায়াতে ইসলামী। এ দেশের মানুষের প্রকৃত কল্যাণ ও মুক্তির জন্য ছাত্র–জনতার বিপ্লবে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে জামায়াতকেই বেছে নিতে হবে। ইসলামকে রাষ্ট্র থেকে বাদ দেওয়ায় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। মুসলমানদের এই বাংলাদেশে আল্লাহর আইন ছাড়া সুবিচার কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডমালা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “আগামী নির্বাচনে জাতীয় সংসদে কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠায় যারা অঙ্গীকারবদ্ধ তাদেরকেই বিজয়ী করতে হবে। জনগণ যদি তা করতে ব্যর্থ হয়, দেশ আবারও পশ্চাৎপদ হয়ে পড়বে। এজন্য পাড়া-মহল্লা ও গ্রামে গ্রামে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষকে কুরআনের আইনের পথে আহ্বান জানানো প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।
জামায়াতের স্থানীয় কমিটির নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে দ্বীনের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।”
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পৌর আমীর অধ্যাপক আনোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা নায়েবে আমীর মো. মইনুল হোসেন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. মো. ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা আনিসুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আব্দুর রহিম ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের প্রমুখ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, “দুনিয়ার কল্যাণের সঙ্গে আখিরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে জামায়াতে ইসলামী। এ দেশের মানুষের প্রকৃত কল্যাণ ও মুক্তির জন্য ছাত্র–জনতার বিপ্লবে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে জামায়াতকেই বেছে নিতে হবে। ইসলামকে রাষ্ট্র থেকে বাদ দেওয়ায় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। মুসলমানদের এই বাংলাদেশে আল্লাহর আইন ছাড়া সুবিচার কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডমালা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, “আগামী নির্বাচনে জাতীয় সংসদে কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠায় যারা অঙ্গীকারবদ্ধ তাদেরকেই বিজয়ী করতে হবে। জনগণ যদি তা করতে ব্যর্থ হয়, দেশ আবারও পশ্চাৎপদ হয়ে পড়বে। এজন্য পাড়া-মহল্লা ও গ্রামে গ্রামে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষকে কুরআনের আইনের পথে আহ্বান জানানো প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।
জামায়াতের স্থানীয় কমিটির নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নিষ্ঠার সঙ্গে দ্বীনের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।”
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পৌর আমীর অধ্যাপক আনোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা নায়েবে আমীর মো. মইনুল হোসেন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. মো. ওবায়দুল্লাহ, উপজেলা আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা আনিসুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আব্দুর রহিম ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের প্রমুখ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম
১৯ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা
২১ ঘণ্টা আগে
গোলাগুলি শেষে সেনা সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি ম্যাগাজিন ও অন্
২১ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের একটি বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি করতে যান জেলা প্রশাসক। বাজারে গিয়ে দোকানিকে লেবুর হালি জিজ্ঞাসা করতেই দাম হাঁকেন ৪০ টাকা। এ সময় দাম কম বলায় লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
১ দিন আগে