
বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ

ঋণের টাকা আর ধারকর্জ করে বোনা বোরো ধান এখন কিশোরগঞ্জের হাওরের কৃষকদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল আর পর্যাপ্ত রোদের অভাবে ধানের রং নষ্ট ও আধা-পচা হয়ে যাওয়ায় বাজারে ধানের সঠিক দাম পাচ্ছেন না তারা। ১২০০ টাকার বেশি উৎপাদন খরচের বিপরীতে কালচে হয়ে যাওয়া এই ধান আড়তে বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা মণে। ফলে লোকসানের মুখে পড়ে ক্ষুব্ধ কৃষকদের অনেকেই বলছেন, ‘ধান ফলিয়ে যেন অন্যায় করে ফেলেছেন।’
কিশোরগঞ্জের প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চল মিঠামইনের খয়ারকান্দা হাওরে ধারকর্জ ও ঋণ করে চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছিলেন গোপদিঘি এলাকার কৃষক আতিকুর রহমান। তবে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক ঢলে তার তিন বিঘা জমির ধানই পানিতে তলিয়ে গেছে। বাকি এক বিঘা জমির ধান পানির নিচ থেকে কোনোমতে কেটে তুলতে পারলেও একনাগাড়ে রোদ না থাকায় তা শুকাতে পারেননি। ফলে ধানের রং নষ্ট হয়ে কালচে হয়ে গেছে। এখন সেই নষ্ট ধান বিক্রির আশায় করিমগঞ্জের চামড়া নৌবন্দরের এক আড়ত থেকে অন্য আড়তে হন্যে হয়ে ঘুরছেন এই ভাগ্যাহত কৃষক।
কৃষক আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সময়মতো ভালো রোদ না পাওয়ায় ধান সঠিকভাবে শুকাতে পারিনি। রং নষ্ট হয়ে কিছুটা কালচে হয়ে গেছে। সেই ধান এখন ব্যাপারীরা মাত্র ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা মণ দাম করছেন। মনে হচ্ছে ধান ফলিয়ে অন্যায় করে ফেলেছি। দূর থেকে ১০০ বস্তা ধান নিয়ে এসে মনে হচ্ছে এখন নৌকা ভাড়া আর বস্তা টানা শ্রমিকদের মজুরি দিতেই সব শেষ হয়ে যাবে। আর আমার সব কষ্টই ফাউ গেল।’
কৃষকদের ভাষ্য, দেশে সবকিছুর দাম বাড়লেও কেবল বাড়ে না তাদের উৎপাদিত ধানের দাম। যেখানে এক মণ ধান ফলাতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকার ওপরে, সেখানে বাজারে তা বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকায়।
ইটনা উপজেলার মৃগা এলাকার কৃষক দুলু মিয়া বলেন, ‘কিশোরগঞ্জের হাওরের কৃষকেরা এবার যতটুকু ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন, তার বেশির ভাগের রং নষ্ট হয়ে গেছে। এই বিবর্ণ ধান নিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কৃষকদের ৪০০ টাকা মণেও ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। আর সর্বোচ্চ ভালো ও শুকনা ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ টাকায়। অথচ সরকারিভাবে প্রতি মণ ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৪০ টাকা। কিন্তু সরকারিভাবে ধান বিক্রি করার এই সুযোগই বা কজন পাচ্ছে? আর সরকারি গুদামে দেওয়ার মতো ঝকঝকে পরিষ্কার ধানই বা এবার কজনে মাড়াতে পেরেছেন?’
কিশোরগঞ্জের বিশাল হাওরাঞ্চলের ধানের প্রধান মোকাম করিমগঞ্জের চামড়া নৌবন্দর। স্বাভাবিক সময়ে এই বন্দরে দৈনিক হাজার হাজার মণ ধান বেচাকেনা হতো এবং এখান থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার চাতালে ধান সরবরাহ করা হতো। মূলত এই ধানের ওপর নির্ভর করেই বছরের এই সময়ে চামড়া নৌবন্দরে প্রায় ৪০টির মতো আড়ত বসে। কৃষকেরা তাদের কষ্টার্জিত ভেজা ও শুকনা ধান নৌকায় করে চামড়াঘাটের আড়তগুলোতে নিয়ে আসেন। আড়তদারেরা সেসব ধান কিনে ট্রাকে করে রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শেরপুর ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বড় বড় চালকলে পাঠান।
তবে এবার এই চেনা চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। মৌসুমের শুরুতে কিছুটা ধান এলেও টানা বৃষ্টি শুরুর পর থেকে আড়তদারেরাও মনমরা হয়ে পড়েছেন। সারা দিন বসে থেকেও পর্যাপ্ত ধান কিনতে না পেরে অনেকেই আড়ত বন্ধ করে দিয়েছেন। মূলত সময়মতো ভালো রোদ না পাওয়ায় কৃষকেরা ধান সঠিকভাবে শুকাতে পারেননি, যার প্রভাব পড়েছে পুরো বাজারে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, করিমগঞ্জের নাগচিন্নি নদীর তীরে গড়ে ওঠা চামড়া নৌবন্দর এলাকার অধিকাংশ আড়তঘরই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। সোহাগ মিয়া নামের একজন আড়তদার জানান, গত বছর এই সময়ে দৈনিক কয়েক হাজার মণ ধান কিনতে পারলেও এবার সারা দিনে ৫০০ মণ ধানও কেনা যাচ্ছে না। হাওরে কৃষকেরা ধান মার খাওয়ায় আড়তদারদের ব্যবসাও এখন শেষের পথে।
আল আমিন নামের আরেকজন আড়তদার বলেন, ‘এখন আমরা মানভেদে ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা মণ দরে ধান কিনছি। এবার হাওরাঞ্চল থেকে যেসব ধান আসছে, তার বেশির ভাগই আধা-পচা এবং রং নষ্ট। ধানের মানের এই পার্থক্যের কারণেই দামেরও এমন তারতম্য হচ্ছে।’
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘কিশোরগঞ্জে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে ৯৯ শতাংশ এবং নন-হাওরে ৮৩ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলায় প্রায় ৪৭ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত ক্ষতিগ্রস্তদের সেই তালিকা আমাদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন তালিকাটি যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সময়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে।’
জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৪৪০ টাকা মণ ধান এবং ৪৯ টাকা কেজি চাল সংগ্রহ করছে। চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ১৮ হাজার ৩৩০ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ৬৭৬ টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। আর চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৩২৪ টন। এর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ৩ হাজার ৮২৯ টন সংগ্রহ করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার সহকারী খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গত ৩ মে থেকে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আশা করছি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে। তবে সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে কোনো রকম রং নষ্ট বা ভেজা ধান নেওয়া হচ্ছে না; গুদামে কেবল ঝকঝকে পরিষ্কার ও শুকনা ধানই সংগ্রহ করা হচ্ছে।’
রাজনীতি/এসআর

ঋণের টাকা আর ধারকর্জ করে বোনা বোরো ধান এখন কিশোরগঞ্জের হাওরের কৃষকদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল আর পর্যাপ্ত রোদের অভাবে ধানের রং নষ্ট ও আধা-পচা হয়ে যাওয়ায় বাজারে ধানের সঠিক দাম পাচ্ছেন না তারা। ১২০০ টাকার বেশি উৎপাদন খরচের বিপরীতে কালচে হয়ে যাওয়া এই ধান আড়তে বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা মণে। ফলে লোকসানের মুখে পড়ে ক্ষুব্ধ কৃষকদের অনেকেই বলছেন, ‘ধান ফলিয়ে যেন অন্যায় করে ফেলেছেন।’
কিশোরগঞ্জের প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চল মিঠামইনের খয়ারকান্দা হাওরে ধারকর্জ ও ঋণ করে চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছিলেন গোপদিঘি এলাকার কৃষক আতিকুর রহমান। তবে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক ঢলে তার তিন বিঘা জমির ধানই পানিতে তলিয়ে গেছে। বাকি এক বিঘা জমির ধান পানির নিচ থেকে কোনোমতে কেটে তুলতে পারলেও একনাগাড়ে রোদ না থাকায় তা শুকাতে পারেননি। ফলে ধানের রং নষ্ট হয়ে কালচে হয়ে গেছে। এখন সেই নষ্ট ধান বিক্রির আশায় করিমগঞ্জের চামড়া নৌবন্দরের এক আড়ত থেকে অন্য আড়তে হন্যে হয়ে ঘুরছেন এই ভাগ্যাহত কৃষক।
কৃষক আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সময়মতো ভালো রোদ না পাওয়ায় ধান সঠিকভাবে শুকাতে পারিনি। রং নষ্ট হয়ে কিছুটা কালচে হয়ে গেছে। সেই ধান এখন ব্যাপারীরা মাত্র ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা মণ দাম করছেন। মনে হচ্ছে ধান ফলিয়ে অন্যায় করে ফেলেছি। দূর থেকে ১০০ বস্তা ধান নিয়ে এসে মনে হচ্ছে এখন নৌকা ভাড়া আর বস্তা টানা শ্রমিকদের মজুরি দিতেই সব শেষ হয়ে যাবে। আর আমার সব কষ্টই ফাউ গেল।’
কৃষকদের ভাষ্য, দেশে সবকিছুর দাম বাড়লেও কেবল বাড়ে না তাদের উৎপাদিত ধানের দাম। যেখানে এক মণ ধান ফলাতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকার ওপরে, সেখানে বাজারে তা বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকায়।
ইটনা উপজেলার মৃগা এলাকার কৃষক দুলু মিয়া বলেন, ‘কিশোরগঞ্জের হাওরের কৃষকেরা এবার যতটুকু ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন, তার বেশির ভাগের রং নষ্ট হয়ে গেছে। এই বিবর্ণ ধান নিয়ে তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কৃষকদের ৪০০ টাকা মণেও ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। আর সর্বোচ্চ ভালো ও শুকনা ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০ টাকায়। অথচ সরকারিভাবে প্রতি মণ ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৪০ টাকা। কিন্তু সরকারিভাবে ধান বিক্রি করার এই সুযোগই বা কজন পাচ্ছে? আর সরকারি গুদামে দেওয়ার মতো ঝকঝকে পরিষ্কার ধানই বা এবার কজনে মাড়াতে পেরেছেন?’
কিশোরগঞ্জের বিশাল হাওরাঞ্চলের ধানের প্রধান মোকাম করিমগঞ্জের চামড়া নৌবন্দর। স্বাভাবিক সময়ে এই বন্দরে দৈনিক হাজার হাজার মণ ধান বেচাকেনা হতো এবং এখান থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলার চাতালে ধান সরবরাহ করা হতো। মূলত এই ধানের ওপর নির্ভর করেই বছরের এই সময়ে চামড়া নৌবন্দরে প্রায় ৪০টির মতো আড়ত বসে। কৃষকেরা তাদের কষ্টার্জিত ভেজা ও শুকনা ধান নৌকায় করে চামড়াঘাটের আড়তগুলোতে নিয়ে আসেন। আড়তদারেরা সেসব ধান কিনে ট্রাকে করে রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শেরপুর ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বড় বড় চালকলে পাঠান।
তবে এবার এই চেনা চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। মৌসুমের শুরুতে কিছুটা ধান এলেও টানা বৃষ্টি শুরুর পর থেকে আড়তদারেরাও মনমরা হয়ে পড়েছেন। সারা দিন বসে থেকেও পর্যাপ্ত ধান কিনতে না পেরে অনেকেই আড়ত বন্ধ করে দিয়েছেন। মূলত সময়মতো ভালো রোদ না পাওয়ায় কৃষকেরা ধান সঠিকভাবে শুকাতে পারেননি, যার প্রভাব পড়েছে পুরো বাজারে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, করিমগঞ্জের নাগচিন্নি নদীর তীরে গড়ে ওঠা চামড়া নৌবন্দর এলাকার অধিকাংশ আড়তঘরই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। সোহাগ মিয়া নামের একজন আড়তদার জানান, গত বছর এই সময়ে দৈনিক কয়েক হাজার মণ ধান কিনতে পারলেও এবার সারা দিনে ৫০০ মণ ধানও কেনা যাচ্ছে না। হাওরে কৃষকেরা ধান মার খাওয়ায় আড়তদারদের ব্যবসাও এখন শেষের পথে।
আল আমিন নামের আরেকজন আড়তদার বলেন, ‘এখন আমরা মানভেদে ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা মণ দরে ধান কিনছি। এবার হাওরাঞ্চল থেকে যেসব ধান আসছে, তার বেশির ভাগই আধা-পচা এবং রং নষ্ট। ধানের মানের এই পার্থক্যের কারণেই দামেরও এমন তারতম্য হচ্ছে।’
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘কিশোরগঞ্জে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে ৯৯ শতাংশ এবং নন-হাওরে ৮৩ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলায় প্রায় ৪৭ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত ক্ষতিগ্রস্তদের সেই তালিকা আমাদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন তালিকাটি যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সময়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে।’
জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৪৪০ টাকা মণ ধান এবং ৪৯ টাকা কেজি চাল সংগ্রহ করছে। চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ১৮ হাজার ৩৩০ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ৬৭৬ টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। আর চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৩২৪ টন। এর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত ৩ হাজার ৮২৯ টন সংগ্রহ করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার সহকারী খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘গত ৩ মে থেকে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে, যা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আশা করছি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে যাবে। তবে সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে কোনো রকম রং নষ্ট বা ভেজা ধান নেওয়া হচ্ছে না; গুদামে কেবল ঝকঝকে পরিষ্কার ও শুকনা ধানই সংগ্রহ করা হচ্ছে।’
রাজনীতি/এসআর

এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
১ দিন আগে
রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা বলাৎকার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত শিহাব হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
১ দিন আগে
খুলনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবদলকর্মী মো. মাসুম শেখ (৩০) ও তার শ্যালক জাহিদ হোসেন (২৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে লবণচরার পুটিমারী বাজার সংলগ্ন ১ নং জলমা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি অফিসের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
রাজধানীর রামপুরার বনশ্রী এলাকায় একটি মাদরাসার বাথরুম থেকে মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আরেক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাবনার বেড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে