
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ এলাকায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও বিএনপির এক ওয়ার্ড সভাপতিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং সেনা কমান্ডার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত নগর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হাসিনুর রহমানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার বিকেলে ধানাইদহ বাজারে জামায়াত কর্মী সাব্বির হোসেনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। এর জের ধরে শনিবার সকালে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ এলাকায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও বিএনপির এক ওয়ার্ড সভাপতিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং সেনা কমান্ডার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত নগর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হাসিনুর রহমানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আসাব সরকারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার বিকেলে ধানাইদহ বাজারে জামায়াত কর্মী সাব্বির হোসেনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিএনপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। এর জের ধরে শনিবার সকালে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শুক্রবার রাত সোয়া ১১টার দিকে স্বাধীন ও ফাহিম শহর থেকে বাসায় ফিরছিল। হঠাৎ তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিবেকানন্দ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় একটি দেয়ালে ধাক্কা লাগে। আশেপাশের লোকজন তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
৭ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে চরবাগডাঙ্গায় অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে এবং এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক আছে।
৯ ঘণ্টা আগে
নিহতের বড় ভাই মো. মশিউর রহমান জানান, ডা. নাসিরের ছেলে সাকিবের নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক ধানের শীষের সমর্থক তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ভাইকে গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে তারা আমার ভাইকে বেধড়ক মারধর করেন। ওই হামলার পর তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকায় নেওয়া হয়, তবে শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো যায়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আমি জানতাম না এখানে কোন আওয়ামী লীগের অফিস আছে। সেখানে কোনো সাইনবোর্ড নেই। আমি উত্তেজনা সামাল দেয়ার জন্য চাবি বুঝিয়ে দিতে বলি, ওইখানে আওয়ামী লীগের কর্মী ছিল। তারপর তারা ধন্যবাদ জানালো। আমি বিষয়টাকে সেভাবে নেইনি।
২০ ঘণ্টা আগে