
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ভবনের তৃতীয় তলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (২০ মে) ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটারের পাশের পোস্ট অপারেটিভ রুমে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন ছড়িয়ে পড়লে এসি ও অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দে পুরো হাসপাতাল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে পোস্ট অপারেটিভ রুম, ইমার্জেন্সি ওটি বিভাগের মালামাল পুড়ে গেছে।
পরে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় হুড়োহুড়ি ও জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে নার্স ও রোগীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে হাসপাতালের নার্স রিপা ও শারমিনকে বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক সরকার মাসুদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
রাজনীতি/এসআর

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ভবনের তৃতীয় তলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (২০ মে) ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটারের পাশের পোস্ট অপারেটিভ রুমে এই আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন ছড়িয়ে পড়লে এসি ও অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দে পুরো হাসপাতাল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে পোস্ট অপারেটিভ রুম, ইমার্জেন্সি ওটি বিভাগের মালামাল পুড়ে গেছে।
পরে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় হুড়োহুড়ি ও জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়ে নার্স ও রোগীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে হাসপাতালের নার্স রিপা ও শারমিনকে বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক সরকার মাসুদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
রাজনীতি/এসআর

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে
দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. কবির আহমেদ (৪৫) নামে জামায়াতের এক নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি জামায়াতের রোকন এবং দলের গুলিস্তান শপিং মার্কেট ইউনিটের সভাপতি। পেশায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসায়ী।
২ দিন আগে