
রাজশাহী ব্যুরো

দেশ ও জাতির সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনার মধ্যে দিয়ে রাজশাহীতে খ্রীষ্টান ধর্মাবলাম্বীদের বড়দিন উদযাপিত হয়েছে। আজ বুধবার বড়দিন উপলক্ষে রাজশাহীর খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা বেথলেহেমের সেই আবহ সৃষ্টি করতে তাদের বাড়িতে তৈরি করেন প্রতীকী গোশালা।
বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে মহানগরের গির্জাগুলোতে নানান আনুষ্ঠানিকতা ও বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৭টায় ও ৯টায় ‘শীত মাঝে এলো বড়দিন, এলো বুঝি ওই ফিরে’ গানের সুরে সুরে রাজশাহীর উত্তম মেষ পালক ক্যাথিড্রাল গির্জায় বিশেষ খ্রীষ্টযাগ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী মহানগরের বাগানপাড়া এলাকায় এই গির্জার প্রবেশমুখ থেকে নানান রঙের আল্পনা করা হয়। সুসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রিও আলোকসজ্জা করা হয়। যিশুর জন্মের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয় কৃত্রিম গোশালায়। বড়দিনের প্রার্থনায় গীর্জায় গীর্জায় দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। প্রার্থনা শেষে কীর্তনের পাশাপাশি কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
খ্রীষ্টভক্ত প্রশান্ত মিনজ বলেন, ‘আমার কাছে বড়দিন মানে প্রেম, ভালোবাসা, শান্তি ও সম্প্রীতি। কারণ সারাবছর নানা কাজে বাইরে থাকি। তবে বড়দিন আসলে আমরা নিজ বাসায় আসি এবং সবার দেখা পাই। সত্যি এটি আনন্দের একটি বিষয়।’
রাজশাহী ধর্ম প্রদেশের বিশপ জের্ভার রোজারিও বলেন, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এবার ২৬টি এবং রাজশাহী মহানগরে ৩টি চার্চে বড়দিনের বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। রোগমুক্ত থেকে দেশের সকল মানুষ যেন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নতি করতে পারে, মানুষের মঙ্গল করতে পারে এবং দেশের মধ্যে যেন পারস্পারিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায় সেই কামনা করা হয় প্রার্থনায়।
রাজশাহীর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, দিনটি উদযাপনের লক্ষ্যে গীর্জাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সবাই আনন্দঘন পরিবেশে বড়দিন উদযাপন করেছেন। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

দেশ ও জাতির সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনার মধ্যে দিয়ে রাজশাহীতে খ্রীষ্টান ধর্মাবলাম্বীদের বড়দিন উদযাপিত হয়েছে। আজ বুধবার বড়দিন উপলক্ষে রাজশাহীর খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা বেথলেহেমের সেই আবহ সৃষ্টি করতে তাদের বাড়িতে তৈরি করেন প্রতীকী গোশালা।
বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে মহানগরের গির্জাগুলোতে নানান আনুষ্ঠানিকতা ও বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৭টায় ও ৯টায় ‘শীত মাঝে এলো বড়দিন, এলো বুঝি ওই ফিরে’ গানের সুরে সুরে রাজশাহীর উত্তম মেষ পালক ক্যাথিড্রাল গির্জায় বিশেষ খ্রীষ্টযাগ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী মহানগরের বাগানপাড়া এলাকায় এই গির্জার প্রবেশমুখ থেকে নানান রঙের আল্পনা করা হয়। সুসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রিও আলোকসজ্জা করা হয়। যিশুর জন্মের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয় কৃত্রিম গোশালায়। বড়দিনের প্রার্থনায় গীর্জায় গীর্জায় দেশ ও জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। প্রার্থনা শেষে কীর্তনের পাশাপাশি কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
খ্রীষ্টভক্ত প্রশান্ত মিনজ বলেন, ‘আমার কাছে বড়দিন মানে প্রেম, ভালোবাসা, শান্তি ও সম্প্রীতি। কারণ সারাবছর নানা কাজে বাইরে থাকি। তবে বড়দিন আসলে আমরা নিজ বাসায় আসি এবং সবার দেখা পাই। সত্যি এটি আনন্দের একটি বিষয়।’
রাজশাহী ধর্ম প্রদেশের বিশপ জের্ভার রোজারিও বলেন, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এবার ২৬টি এবং রাজশাহী মহানগরে ৩টি চার্চে বড়দিনের বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। রোগমুক্ত থেকে দেশের সকল মানুষ যেন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নতি করতে পারে, মানুষের মঙ্গল করতে পারে এবং দেশের মধ্যে যেন পারস্পারিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায় সেই কামনা করা হয় প্রার্থনায়।
রাজশাহীর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, দিনটি উদযাপনের লক্ষ্যে গীর্জাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সবাই আনন্দঘন পরিবেশে বড়দিন উদযাপন করেছেন। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আদমপুর বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী শিব্বির আহমেদ ও একই গ্রামের বাছির মিয়ার মধ্যে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন।
২০ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি বলেন, বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় স্কুল ছুটি হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাথরুম থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে নির্মাণ শ্রমিকেরা সেখানে যান। পরে তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ খুন হন। ৩৫ বছর বয়সী বুলবুল পাশের শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। যে এলাকায় বুলবুলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, সেটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন।
১ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে