
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘জুলাই নারী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তারা কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, নেতৃত্বও দিয়েছেন। রাস্তায় ভাইদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিয়ে তাঁরা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।
আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় বক্তৃতা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রায়হানা শামস ইসলাম বলেন, ‘জুলাই জাগরণের প্রাণভোমরা ছিল আমাদের মেয়েরা। তারা শুধু আন্দোলনে গলা মেলায়নি, নেতৃত্বও দিয়েছে। আমরা দেখেছি কীভাবে তারা ভাইদের রক্ষা করেছে, আশ্রয় দিয়েছে। তারা দেখিয়ে দিয়েছে—নারী শুধু সহচর নয়, একজন নাগরিক যিনি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ে যা দেখেছি, তা জীবনে একবারই দেখা যায়। আমরা ভুলে গিয়েছিলাম যে আমরা নাগরিক। জুলাই আমাদের সেই আত্মপরিচয় মনে করিয়ে দিয়েছে।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান, কোষাধ্যক্ষ মো. মতিয়ার রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ ও ছাত্র উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক।
ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ফৌজিয়া এদিব ফ্লোরা বলেন, ‘নারীকে আলাদা করে সম্মান দেওয়ার কিছু নেই। যে কাজ তারা করেছে, যে সম্মান তারা অর্জন করেছে, তার জন্য আলাদা সম্মাননার প্রয়োজন নেই।’
উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে আমরা কোনো মহামানবকে দেখিনি, দেখেছি সাধারণ মানুষের অসাধারণ ভূমিকা। জুলাই চেতনায় কোনো "আমি" নেই, আছে "আমরা"। এই "আমি" চেতনা থেকেই বেরিয়ে আসতে হবে।’
নারীদের অবদানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নারীদের অবদান একটু কম না, আবার একটু বেশিও না—সমানে সমান। মায়া ও আগুনের এক অপূর্ব মিশ্রণ তারা দেখিয়েছে, যা অনেক পুরুষের পক্ষেও সম্ভব নয়।’
আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টায় দিবস উপলক্ষে এক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘জুলাই নারী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তারা কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, নেতৃত্বও দিয়েছেন। রাস্তায় ভাইদের আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিয়ে তাঁরা এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।
আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় বক্তৃতা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রায়হানা শামস ইসলাম বলেন, ‘জুলাই জাগরণের প্রাণভোমরা ছিল আমাদের মেয়েরা। তারা শুধু আন্দোলনে গলা মেলায়নি, নেতৃত্বও দিয়েছে। আমরা দেখেছি কীভাবে তারা ভাইদের রক্ষা করেছে, আশ্রয় দিয়েছে। তারা দেখিয়ে দিয়েছে—নারী শুধু সহচর নয়, একজন নাগরিক যিনি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ে যা দেখেছি, তা জীবনে একবারই দেখা যায়। আমরা ভুলে গিয়েছিলাম যে আমরা নাগরিক। জুলাই আমাদের সেই আত্মপরিচয় মনে করিয়ে দিয়েছে।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান, কোষাধ্যক্ষ মো. মতিয়ার রহমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ ও ছাত্র উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক।
ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ফৌজিয়া এদিব ফ্লোরা বলেন, ‘নারীকে আলাদা করে সম্মান দেওয়ার কিছু নেই। যে কাজ তারা করেছে, যে সম্মান তারা অর্জন করেছে, তার জন্য আলাদা সম্মাননার প্রয়োজন নেই।’
উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘জুলাই-আগস্টে আমরা কোনো মহামানবকে দেখিনি, দেখেছি সাধারণ মানুষের অসাধারণ ভূমিকা। জুলাই চেতনায় কোনো "আমি" নেই, আছে "আমরা"। এই "আমি" চেতনা থেকেই বেরিয়ে আসতে হবে।’
নারীদের অবদানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নারীদের অবদান একটু কম না, আবার একটু বেশিও না—সমানে সমান। মায়া ও আগুনের এক অপূর্ব মিশ্রণ তারা দেখিয়েছে, যা অনেক পুরুষের পক্ষেও সম্ভব নয়।’
আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টায় দিবস উপলক্ষে এক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
১ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে
হারুন অর রশিদ বলেন, গত শুক্রবার সাবেক এমপি মাহমুদ হাসান সুমনের ‘স্পার্ক ভিশন’ নামে একটি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনার পর থেকে বিএনপিকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
২ দিন আগে