
বগুড়া প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে জড়িয়ে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে বগুড়ায় মামলা হয়েছে। মামলায় একটি পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদকসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে বগুড়া প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবাদীরা হলেন— দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিনে’র প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার ও বগুড়া প্রতিনিধি শামস।
বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি নিয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মামলায় দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদীর আবেদন ও প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালতের আদেশের পর মামলাটি সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে এজাহার হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করা হবে এবং পরবর্তী আইনি তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব ও অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেনসহ অনেকে মামলা পরিচালনা করেন।
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘‘সাংবাদিক ছিলেন দাবি করে এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন ‘রাস্তাকাণ্ডে’ বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম’’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এ ছাড়া ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফর উপলক্ষ্যে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাদী তানভীর আলম তার আবেদনে বলেন, বিবাদীরা কোনো ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করেছেন। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে সোমবার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আলোচনায় আসেন তার নির্বাচনি এলাকা বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবঘোষিত মোকামতলা উপজেলার নতুন চারটি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে। অভিযোগ ওঠে, তিন ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে প্রতিমন্ত্রীর দুই সন্তান ও নিজেদের পারিবারিক বাড়ির নামে।
গত ১১ জুন বগুড়া জেলা প্রশাসকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে ওই দুই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়। গেজেট অনুযায়ী, শিবগঞ্জ উপজেলার নতুন ইউনিয়নের নাম ‘মীরবাড়ী ইউনিয়ন’; নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার নতুন তিন ইউনিয়নের নাম ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’, ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’ ও ‘স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়ন’ রাখা হয়।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পৈতৃক বাসভবনের নাম ‘মীরবাড়ী’ এবং তার দুই ছেলের নাম মীর শাকরুল আলম সীমান্ত ও মীর সাকলাইন আলম দিগন্ত। গেজেট প্রকাশের পরই অভিযোগ ওঠে, নতুন তিন ইউনিয়নের নাম প্রতিমন্ত্রী আর তার পৈতৃক বাড়ি ও দুই ছেলের নামে নামকরণ করিয়েছেন। পরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ জাতীয় সংসদেও এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির অনুরোধে সংসদের ২৭৪ বিধিতে এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ করে দেন স্পিকার। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকা বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার দূরবর্তী দুটি ইউনিয়ন সৈয়দপুর ও দেউলী ইউনিয়ন আয়তনে অনেক বড় ছিল। স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক যাচাই-বাছাই করে, গণশুনানি করে... সৈয়দপুর ইউনিয়নটি যেহেতু গাবতলী ও সোনাতলা উপজেলা সীমান্তে, সে কারণে সৈয়দপুরের সঙ্গে মিল করে সীমান্তবর্তী হওয়ায় নতুন ইউনিয়নের নাম করেছেন ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’।
আরেক ইউনিয়নের কথা তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, আরেকটি ইউনিয়নের নাম ছিল দেউলী ইউনিয়ন, যেটি গাইবান্ধার একদম কাছে এবং অনেক দূরবর্তী হওয়ার কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের শুনানিতে সেই ইউনিয়নের নাম রেখেছে ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’।
দেশের বিভিন্ন স্থানে সীমান্ত ও দিগন্ত নামে নানা স্থান ও স্থাপনার নামের উদাহরণ তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। জামায়াতের সংসদ সদস্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্ত ও দিগন্ত নামে এ রকম বহু নাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে। মিরাক্যালি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে ঠিকই, কিন্তু আমার সন্তানদের নাম হচ্ছে মীর সীমান্ত, মীর দিগন্ত। আমার যদি ইচ্ছা থাকত সন্তানের নামে করার, তাহলে আমি প্রশাসনকে বলতাম নাম রাখেন মীর সীমান্ত, না হলে মীর দিগন্ত। কিন্তু নামের আগে তো মীর নাই।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে জড়িয়ে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে বগুড়ায় মামলা হয়েছে। মামলায় একটি পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদকসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে বগুড়া প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবাদীরা হলেন— দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিনে’র প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার ও বগুড়া প্রতিনিধি শামস।
বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি নিয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মামলায় দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদীর আবেদন ও প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালতের আদেশের পর মামলাটি সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে এজাহার হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করা হবে এবং পরবর্তী আইনি তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব ও অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেনসহ অনেকে মামলা পরিচালনা করেন।
মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘‘সাংবাদিক ছিলেন দাবি করে এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন ‘রাস্তাকাণ্ডে’ বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম’’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এ ছাড়া ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফর উপলক্ষ্যে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বাদী তানভীর আলম তার আবেদনে বলেন, বিবাদীরা কোনো ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করেছেন। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে সোমবার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আলোচনায় আসেন তার নির্বাচনি এলাকা বগুড়ার শিবগঞ্জ ও নবঘোষিত মোকামতলা উপজেলার নতুন চারটি ইউনিয়নের মধ্যে তিনটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে। অভিযোগ ওঠে, তিন ইউনিয়নের নাম রাখা হয়েছে প্রতিমন্ত্রীর দুই সন্তান ও নিজেদের পারিবারিক বাড়ির নামে।
গত ১১ জুন বগুড়া জেলা প্রশাসকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে ওই দুই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়। গেজেট অনুযায়ী, শিবগঞ্জ উপজেলার নতুন ইউনিয়নের নাম ‘মীরবাড়ী ইউনিয়ন’; নবগঠিত মোকামতলা উপজেলার নতুন তিন ইউনিয়নের নাম ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’, ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’ ও ‘স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়ন’ রাখা হয়।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পৈতৃক বাসভবনের নাম ‘মীরবাড়ী’ এবং তার দুই ছেলের নাম মীর শাকরুল আলম সীমান্ত ও মীর সাকলাইন আলম দিগন্ত। গেজেট প্রকাশের পরই অভিযোগ ওঠে, নতুন তিন ইউনিয়নের নাম প্রতিমন্ত্রী আর তার পৈতৃক বাড়ি ও দুই ছেলের নামে নামকরণ করিয়েছেন। পরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ জাতীয় সংসদেও এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির অনুরোধে সংসদের ২৭৪ বিধিতে এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ করে দেন স্পিকার। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকা বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার দূরবর্তী দুটি ইউনিয়ন সৈয়দপুর ও দেউলী ইউনিয়ন আয়তনে অনেক বড় ছিল। স্থানীয় প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক যাচাই-বাছাই করে, গণশুনানি করে... সৈয়দপুর ইউনিয়নটি যেহেতু গাবতলী ও সোনাতলা উপজেলা সীমান্তে, সে কারণে সৈয়দপুরের সঙ্গে মিল করে সীমান্তবর্তী হওয়ায় নতুন ইউনিয়নের নাম করেছেন ‘সীমান্ত ইউনিয়ন’।
আরেক ইউনিয়নের কথা তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, আরেকটি ইউনিয়নের নাম ছিল দেউলী ইউনিয়ন, যেটি গাইবান্ধার একদম কাছে এবং অনেক দূরবর্তী হওয়ার কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের শুনানিতে সেই ইউনিয়নের নাম রেখেছে ‘দিগন্ত ইউনিয়ন’।
দেশের বিভিন্ন স্থানে সীমান্ত ও দিগন্ত নামে নানা স্থান ও স্থাপনার নামের উদাহরণ তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। জামায়াতের সংসদ সদস্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্ত ও দিগন্ত নামে এ রকম বহু নাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে। মিরাক্যালি আমার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিলে গেছে ঠিকই, কিন্তু আমার সন্তানদের নাম হচ্ছে মীর সীমান্ত, মীর দিগন্ত। আমার যদি ইচ্ছা থাকত সন্তানের নামে করার, তাহলে আমি প্রশাসনকে বলতাম নাম রাখেন মীর সীমান্ত, না হলে মীর দিগন্ত। কিন্তু নামের আগে তো মীর নাই।

চট্টগ্রামের আনোয়ারার পরৈকোড়া ইউনিয়নে এনি বড়ুয়া ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে হত্যা মামলায় এক প্রতিবেশীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার প্রতিবেশীর নাম তেজ বড়ুয়া (৩২)। তিনি পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার ছেলে।
১ দিন আগে
মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মল্লিক জানান, হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করবেন আমির হামজা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।
২ দিন আগে
বিজিবি জানিয়েছে, গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে এক নারী, দুই শিশু ও তিন যুবককে এবং ইজলামারী সীমান্ত দিয়ে আরও তিনজনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
২ দিন আগে
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে আপন দুই ভাই নিহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে