
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মহানগরীতে নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক মুসল্লি নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে নগরীর খোঁজাপুর গোরস্তানের প্রাচীর সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি মো. মোস্তফা (৫০)। তিনি নগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী গ্রামের তইমুর উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার ডান পায়ে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার ডান পায়ে গুলি লেগেছে। মাথায়ও জখম দেখা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ নাকি অন্য কোনো আঘাত ছিল, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, কে বা কারা কী কারণে এ হামলা চালিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। হত্যার কারণ ও নিহতের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলায় জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে।

রাজশাহী মহানগরীতে নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক মুসল্লি নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে নগরীর খোঁজাপুর গোরস্তানের প্রাচীর সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি মো. মোস্তফা (৫০)। তিনি নগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী গ্রামের তইমুর উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার ডান পায়ে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার ডান পায়ে গুলি লেগেছে। মাথায়ও জখম দেখা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ নাকি অন্য কোনো আঘাত ছিল, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, কে বা কারা কী কারণে এ হামলা চালিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। হত্যার কারণ ও নিহতের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলায় জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তৎপরতা শুরু করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে সৌহার্দ্য ও সৌজন্যমূলক রাজনীতির এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। নির্বাচনী উত্তাপ কাটিয়ে বিজয়ী ও পরাজিত দুই প্রার্থী পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চেতনার উজ্জ্বল উদাহরণ তুলে ধরেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মহিষটি বুঝে নেন উত্তর নাকশীর শিমুলগড়া এলাকার বাসিন্দা ও বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর সমর্থক আব্দুল মান্নান।
৭ ঘণ্টা আগে
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ এলাকায় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও বিএনপির এক ওয়ার্ড সভাপতিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের কচুয়ায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ওসমান সরদার (২৯) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই এনামুল কবির সরদার এই তথ্য নিশ্চি
১০ ঘণ্টা আগে