
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সাইক্লোন সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের প্রায় ছয় হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বাঁধ ভেঙে ডুবে গেছে বিস্তৃর্ণ এলাকা। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন স্থাপনা পদ্মায় বিলীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি বিলীন-ভাঙন দেখা দিয়েছে। সব শেষে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দুটি মসজিদ পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়।
এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর নারায়ণপুর ইউনিয়নের দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৮ সেপ্টেম্বর সরদাপাড়া সাইক্লোন সেন্টার ও পাঁচটি মসজিদ, ১৯ সেপ্টেম্বর ঘোষপাড়া নারায়ণপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ও নারায়ণপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে নারায়ণপুর ইউনিয়নের অন্তত ৫০০ ঘরবাড়ী।
অপরদিকে, ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দেড় হাজার বসতবাড়ি। এতে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন পদ্মা পাড়ের বাসিন্দারা।
এদিকে বাঁধ ভেঙে সৃষ্ট বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে দেড় হাজার একর কালাইয়ের ক্ষেতসহ শত বিঘা জমির ফসল।
নারায়ণপুর ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার বলেন, প্রতিবছর ভাঙনের কবলে পড়ি। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু এবার ভাঙনের প্রভাব বেশি। আমার বাড়ি অনেক আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। থাকার যায়গা নেই। কোনো রকমে দুইটি গরু নিয়ে এক টিনের চালা তুলে বসবাস করছি।
স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহ আগেই বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পরে অন্যের আম গাছের নিচে একটি টিনের চালা তুলে বসবাস করছি। গরু-ছাগল নিয়ে কোথায় যাব। কি খাব কিছুই নেই। সব শেষ।
শরিফুল ইসলাম নামে এক কৃষক বলেন, তিন বিঘা জমিতে মাসকলাই চাষ করেছিলাম। এক সপ্তাহ আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে এসব জমি।
নারায়ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাজির হোসেন বলেন, চরাঞ্চলের বাসিন্দারা প্রতিবছর বন্যর ভাঙনের কবলে পড়ি। এবারও পড়েছি। এখন পর্যন্ত সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাইক্লোন সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। ইউনিয়নেই প্রায় পাঁচশ পরিবার এখনো পানিবন্দী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাছমিনা খাতুন বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় দ্রুত ত্রাণসহ ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সাইক্লোন সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এছাড়া পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের প্রায় ছয় হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বাঁধ ভেঙে ডুবে গেছে বিস্তৃর্ণ এলাকা। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন স্থাপনা পদ্মায় বিলীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি বিলীন-ভাঙন দেখা দিয়েছে। সব শেষে বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দুটি মসজিদ পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়।
এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর নারায়ণপুর ইউনিয়নের দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৮ সেপ্টেম্বর সরদাপাড়া সাইক্লোন সেন্টার ও পাঁচটি মসজিদ, ১৯ সেপ্টেম্বর ঘোষপাড়া নারায়ণপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ও নারায়ণপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে নারায়ণপুর ইউনিয়নের অন্তত ৫০০ ঘরবাড়ী।
অপরদিকে, ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দেড় হাজার বসতবাড়ি। এতে দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন পদ্মা পাড়ের বাসিন্দারা।
এদিকে বাঁধ ভেঙে সৃষ্ট বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে দেড় হাজার একর কালাইয়ের ক্ষেতসহ শত বিঘা জমির ফসল।
নারায়ণপুর ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার বলেন, প্রতিবছর ভাঙনের কবলে পড়ি। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু এবার ভাঙনের প্রভাব বেশি। আমার বাড়ি অনেক আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। থাকার যায়গা নেই। কোনো রকমে দুইটি গরু নিয়ে এক টিনের চালা তুলে বসবাস করছি।
স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহ আগেই বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পরে অন্যের আম গাছের নিচে একটি টিনের চালা তুলে বসবাস করছি। গরু-ছাগল নিয়ে কোথায় যাব। কি খাব কিছুই নেই। সব শেষ।
শরিফুল ইসলাম নামে এক কৃষক বলেন, তিন বিঘা জমিতে মাসকলাই চাষ করেছিলাম। এক সপ্তাহ আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে এসব জমি।
নারায়ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাজির হোসেন বলেন, চরাঞ্চলের বাসিন্দারা প্রতিবছর বন্যর ভাঙনের কবলে পড়ি। এবারও পড়েছি। এখন পর্যন্ত সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাইক্লোন সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। ইউনিয়নেই প্রায় পাঁচশ পরিবার এখনো পানিবন্দী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাছমিনা খাতুন বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় দ্রুত ত্রাণসহ ক্ষতিগ্রস্থদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে এক ব্যক্তি ফরহাদকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। ভোরে তার মোবাইল ফোনে কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি ফসলি ক্ষেতে ফরহাদের মরদেহ পড়ে থাকার খব
১ দিন আগে
বগুড়া-৬ আসনে (সদর) উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ও দলের জেলা সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপনির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
২ দিন আগে
ময়নাতদন্তের জন্য আবু সুফিয়ান রাব্বির মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় আবার দাফন করা হয়। রাব্বির গ্রামের বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জের চরপুবাইলে। তিনি মা–বাবার সঙ্গে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় থাকতেন।
২ দিন আগে
পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে খাগড়াছড়িতে শুরু হয়েছে পাহাড়ের অন্যতম প্রাণের উৎসব বৈসাবি। এ উপলক্ষ্যে ত্রিপুরা সম্প্রদায় আয়োজন করেছে বর্ণিল বৈসু শোভাযাত্রা ও ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্য।
২ দিন আগে