
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সাদ আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী।
সাদ আহমেদের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। তিনি কুরআনের একজন হাফেজ। আত্মহত্যা চেষ্টার আগে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে ১৪টি পোস্ট করেন। সেখানে লিসা নামে একটি মেয়েকে তার প্রেমিকা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সর্বশেষ ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভালোবাসি লিসা'।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার রাত ১১টার পর হলের প্রথম ব্লকের চারতলার ছাদে উঠে হঠাৎ উচ্চ স্বরে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করে লাফ দেন সাদ। নিচে পড়ে তার দুই পায়ের হাঁটুর অংশ ভেঙে যায়। পরে সহপাঠীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শঙ্কর কে বিশ্বাস জানান, রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আহত অবস্থায় সাদকে হাসপাতালে আনা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন।
লাফ দেওয়ার আগে সাদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। সেখানে মা-বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি 'লিসা' নামে একজনের উদ্দেশে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। প্রেমিকা লিসাকে উদ্দেশ্য করে পোস্টে তিনি লেখেন, ‘লিসা তুমি জানতা তোমাকে আমি কত্তটা ভালোবাসি তবুও কেন এমন করলে? সব জায়গায় সেইম ইফোর্ট সেইম ডায়ালগ কীভাবে পারো লিসা? মানুষ এতটা সাইকো কীভাবে হয়? তোমাকে তো বলেই ছিলাম আমার সঙ্গে চিট করলে কিন্তু আমার বন্ধু ফিরোজের মতো আমাকেও মরা ছাড়া উপায় থাকবে না। এত্ত করে বুঝাইলাম তাও বুঝলে না। সময়ের অভাব আর কষ্টের কারণে সব ভালোভাবে বলতে পারলাম না, আর হা আমার খুব ইচ্ছা আমার কবর হবে মসজিদ এর পাশে। যেখান থেকে আমি ইমামের তেলাওয়াত শুনতে পারবো।'
আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সরি আম্মু পারলে মাফ করে দিও। তুমি আমার আম্মু ছিলা, তুমি আমার আব্বু ছিলা। আর আমার বাপ একটা জানোয়ার।’
সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একটি মেয়ের সঙ্গে সাদের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি তাদের মধ্যকার ঝামেলা নিয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট করেন। এসব পোস্টে প্রেমিকার নাম উল্লেখ করে তার ওপর ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সাগর হোসেন বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় ব্লকের ৪ তলায় থাকি। রাতে বারান্দায় বসে ফোনে কথা বলছিলাম, তখনই হঠাৎ ‘‘আল্লাহু আকবার’’ চিৎকার শুনতে পাই। তাকিয়ে দেখি যে ১ম ব্লকের ছাদ থেকে একটি ছেলে লাফ দিল। আমরা সবাই মিলে তাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। তার পা মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। পরে যতটুকু জানতে পারি, ছেলেটি প্রেমঘটিত ঝামেলার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হল প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত রামেকে পাঠানো হয়েছে। তার পায়ে একাধিক স্থানে ফ্র্যাকচার হয়েছে, বুকে আঘাত লেগেছে। বিস্তারিত জানতে এক্স-রেসহ অন্যান্য রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম জানান, তিনি খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আহত শিক্ষার্থীর সর্বাত্মক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সাদ আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী।
সাদ আহমেদের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। তিনি কুরআনের একজন হাফেজ। আত্মহত্যা চেষ্টার আগে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে ১৪টি পোস্ট করেন। সেখানে লিসা নামে একটি মেয়েকে তার প্রেমিকা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সর্বশেষ ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভালোবাসি লিসা'।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার রাত ১১টার পর হলের প্রথম ব্লকের চারতলার ছাদে উঠে হঠাৎ উচ্চ স্বরে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করে লাফ দেন সাদ। নিচে পড়ে তার দুই পায়ের হাঁটুর অংশ ভেঙে যায়। পরে সহপাঠীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শঙ্কর কে বিশ্বাস জানান, রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আহত অবস্থায় সাদকে হাসপাতালে আনা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন।
লাফ দেওয়ার আগে সাদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। সেখানে মা-বাবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি 'লিসা' নামে একজনের উদ্দেশে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। প্রেমিকা লিসাকে উদ্দেশ্য করে পোস্টে তিনি লেখেন, ‘লিসা তুমি জানতা তোমাকে আমি কত্তটা ভালোবাসি তবুও কেন এমন করলে? সব জায়গায় সেইম ইফোর্ট সেইম ডায়ালগ কীভাবে পারো লিসা? মানুষ এতটা সাইকো কীভাবে হয়? তোমাকে তো বলেই ছিলাম আমার সঙ্গে চিট করলে কিন্তু আমার বন্ধু ফিরোজের মতো আমাকেও মরা ছাড়া উপায় থাকবে না। এত্ত করে বুঝাইলাম তাও বুঝলে না। সময়ের অভাব আর কষ্টের কারণে সব ভালোভাবে বলতে পারলাম না, আর হা আমার খুব ইচ্ছা আমার কবর হবে মসজিদ এর পাশে। যেখান থেকে আমি ইমামের তেলাওয়াত শুনতে পারবো।'
আরেকটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সরি আম্মু পারলে মাফ করে দিও। তুমি আমার আম্মু ছিলা, তুমি আমার আব্বু ছিলা। আর আমার বাপ একটা জানোয়ার।’
সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একটি মেয়ের সঙ্গে সাদের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি তাদের মধ্যকার ঝামেলা নিয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট করেন। এসব পোস্টে প্রেমিকার নাম উল্লেখ করে তার ওপর ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সাগর হোসেন বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় ব্লকের ৪ তলায় থাকি। রাতে বারান্দায় বসে ফোনে কথা বলছিলাম, তখনই হঠাৎ ‘‘আল্লাহু আকবার’’ চিৎকার শুনতে পাই। তাকিয়ে দেখি যে ১ম ব্লকের ছাদ থেকে একটি ছেলে লাফ দিল। আমরা সবাই মিলে তাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। তার পা মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। পরে যতটুকু জানতে পারি, ছেলেটি প্রেমঘটিত ঝামেলার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হল প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত রামেকে পাঠানো হয়েছে। তার পায়ে একাধিক স্থানে ফ্র্যাকচার হয়েছে, বুকে আঘাত লেগেছে। বিস্তারিত জানতে এক্স-রেসহ অন্যান্য রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।”
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম জানান, তিনি খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আহত শিক্ষার্থীর সর্বাত্মক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তারা আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহত ও আহত শ্রমিকদের বাড়ি উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
১৪ ঘণ্টা আগে
আহত যুবক হোয়াইক্যাং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা ফজল করিমের ছেলে। ঘটনার পর সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
গণভোট শুধু আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বলেন, ‘ভোর চারটা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে; বের করা হলে ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।’
১৮ ঘণ্টা আগে