
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে কোরবানির ঈদের দিন থেকে চলছে মৃদু তাপদাহ। গ্রীষ্মের শেষ সময়েও তাপদাহে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। তবে ঈদের উৎসবের আমেজে ভাটা পড়েনি। ঈদের দিন কিছুটা ফাঁকা থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন থেকে নগরীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের ছুটির সুযোগে বিনোদনপ্রিয় মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় করেছেন শহরের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, লালন শাহ মুক্তমঞ্চ, ভদ্রা শিশুপার্ক ও রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ নানা জায়গায়। শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও ঘুরছেন আনন্দে।
শহীদ জিয়া শিশুপার্কে গিয়ে দেখা যায়, ছোটরা খেলাধুলায় ব্যস্ত, আর বড়রা ফিরেছেন শৈশবে। কেউ চড়েছেন নাগরদোলায়, কেউবা বরফ গোলা হাতে ঘুরছেন পার্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। পদ্মার পাড়েও ছিল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা। পদ্মার হিমেল বাতাস ও নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে এসেছেন অনেকেই। অনেকে নিয়ে এসেছেন হোমমেড খাবার, জমেছে পিকনিকের আমেজ। আবার, নগরীর লালন শাহ মুক্তমঞ্চ ও তার সংলগ্ন গ্যালারিতে বসে অনেকেই উপভোগ করেছেন পদ্মার অপরূপ দৃশ্য। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও কমছে না দর্শনার্থীদের আনাগোনা।
যদিও রাজশাহীতে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির দেখা নেই, তবুও প্রখর রোদ ও তীব্র গরম উপেক্ষা করে ঘুরতে আসছেন দর্শনার্থীরা। তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই করলেও তাতে যেন ঈদের আনন্দে বাধা হয়নি।
এদিকে, ঈদের ছুটিতে প্রধান সড়কগুলো ফাঁকা থাকলেও বিনোদনকেন্দ্রগুলোর সামনের চিত্র ছিল ভিন্ন। ছোট ছোট যানবাহন—রিকশা, অটোরিকশার চাপ বেড়ে যায় এসব এলাকায়। ফলে বেড়ে গেছে ভাড়া, আর তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।
নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, “অন্য সময় শহীদ জিয়া পার্কে যেতে ৩০ টাকা ভাড়া লাগে, এখন নিচ্ছে ৬০-৭০ টাকা।”
রিকশাচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সময় একটু বেশি ভাড়া চাইতেই হয়। সবাই তো ঈদে কিছু বাড়তি আয় করতে চায়।”
অন্যদিকে, বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল তৎপর। নগর পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। ছিল স্বেচ্ছাসেবী ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারিও। ফলে রুক্ষ আবহাওয়া আর ভাড়ার বিড়ম্বনা সত্ত্বেও ঈদের ছুটিতে প্রাণবন্ত ছিল রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো। প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তির বাইরে এই উৎসব যেন নগরবাসীর কাছে হয়ে উঠেছে এক অনাবিল আনন্দের উপলক্ষ।

রাজশাহীতে কোরবানির ঈদের দিন থেকে চলছে মৃদু তাপদাহ। গ্রীষ্মের শেষ সময়েও তাপদাহে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। তবে ঈদের উৎসবের আমেজে ভাটা পড়েনি। ঈদের দিন কিছুটা ফাঁকা থাকলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন থেকে নগরীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদের ছুটির সুযোগে বিনোদনপ্রিয় মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় করেছেন শহরের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, লালন শাহ মুক্তমঞ্চ, ভদ্রা শিশুপার্ক ও রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ নানা জায়গায়। শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও ঘুরছেন আনন্দে।
শহীদ জিয়া শিশুপার্কে গিয়ে দেখা যায়, ছোটরা খেলাধুলায় ব্যস্ত, আর বড়রা ফিরেছেন শৈশবে। কেউ চড়েছেন নাগরদোলায়, কেউবা বরফ গোলা হাতে ঘুরছেন পার্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। পদ্মার পাড়েও ছিল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা। পদ্মার হিমেল বাতাস ও নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে এসেছেন অনেকেই। অনেকে নিয়ে এসেছেন হোমমেড খাবার, জমেছে পিকনিকের আমেজ। আবার, নগরীর লালন শাহ মুক্তমঞ্চ ও তার সংলগ্ন গ্যালারিতে বসে অনেকেই উপভোগ করেছেন পদ্মার অপরূপ দৃশ্য। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেও কমছে না দর্শনার্থীদের আনাগোনা।
যদিও রাজশাহীতে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির দেখা নেই, তবুও প্রখর রোদ ও তীব্র গরম উপেক্ষা করে ঘুরতে আসছেন দর্শনার্থীরা। তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই করলেও তাতে যেন ঈদের আনন্দে বাধা হয়নি।
এদিকে, ঈদের ছুটিতে প্রধান সড়কগুলো ফাঁকা থাকলেও বিনোদনকেন্দ্রগুলোর সামনের চিত্র ছিল ভিন্ন। ছোট ছোট যানবাহন—রিকশা, অটোরিকশার চাপ বেড়ে যায় এসব এলাকায়। ফলে বেড়ে গেছে ভাড়া, আর তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।
নগরীর ছোট বনগ্রাম এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, “অন্য সময় শহীদ জিয়া পার্কে যেতে ৩০ টাকা ভাড়া লাগে, এখন নিচ্ছে ৬০-৭০ টাকা।”
রিকশাচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, “ঈদের সময় একটু বেশি ভাড়া চাইতেই হয়। সবাই তো ঈদে কিছু বাড়তি আয় করতে চায়।”
অন্যদিকে, বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল তৎপর। নগর পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। ছিল স্বেচ্ছাসেবী ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারিও। ফলে রুক্ষ আবহাওয়া আর ভাড়ার বিড়ম্বনা সত্ত্বেও ঈদের ছুটিতে প্রাণবন্ত ছিল রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো। প্রতিদিনের ব্যস্ততা ও ক্লান্তির বাইরে এই উৎসব যেন নগরবাসীর কাছে হয়ে উঠেছে এক অনাবিল আনন্দের উপলক্ষ।

জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন। তারা আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নিহত ও আহত শ্রমিকদের বাড়ি উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
১৬ ঘণ্টা আগে
আহত যুবক হোয়াইক্যাং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বাবিল গ্রামের বাসিন্দা ফজল করিমের ছেলে। ঘটনার পর সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
গণভোট শুধু আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ।
১৯ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বলেন, ‘ভোর চারটা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে; বের করা হলে ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।’
২০ ঘণ্টা আগে