
রাজশাহী ব্যুরো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহর হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে ‘রাবিস্থ মিল্লাত পরিবার’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল—‘ইবিতে ছাত্র মরে, প্রশাসন কি করে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘বিচার চাই, সাজিদের হত্যার বিচার চাই’।
মানববন্ধনে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘সাজিদ ছিলেন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার মেধাবী শিক্ষার্থী, কোরআনে হাফেজ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার ১০ দিন পার হলেও ইবি প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।’
‘রাবিস্থ মিল্লাত পরিবার’-এর সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী খুন হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফাহির আমিন বলেন, ‘এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারবে না। প্রশাসন ব্যর্থ হলে আমরা আন্দোলন আরও বেগবান করব।’
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আবদুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফরেনসিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পানিতে ফেলে রাখা হয়েছিল।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহর হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে ‘রাবিস্থ মিল্লাত পরিবার’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল—‘ইবিতে ছাত্র মরে, প্রশাসন কি করে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘বিচার চাই, সাজিদের হত্যার বিচার চাই’।
মানববন্ধনে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘সাজিদ ছিলেন তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার মেধাবী শিক্ষার্থী, কোরআনে হাফেজ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার ১০ দিন পার হলেও ইবি প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।’
‘রাবিস্থ মিল্লাত পরিবার’-এর সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী খুন হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে স্টুডেন্ট রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফাহির আমিন বলেন, ‘এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারবে না। প্রশাসন ব্যর্থ হলে আমরা আন্দোলন আরও বেগবান করব।’
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আবদুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফরেনসিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পানিতে ফেলে রাখা হয়েছিল।

রাজধানীর গ্রিন রোডে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
১৫ ঘণ্টা আগে
বর্ণিল পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙালি এই উৎসবে যোগ দেন, যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় গত ৪ মার্চ থেকে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় পুনরায় গ্যাস সংযোগ পাওয়ার পর কারখানাটি চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
২ দিন আগে
নওগাঁর আত্রাইয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এমরান মিয়া (২৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আত্রাই রেলস্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে