
রাজশাহী ব্যুরো

নারীর ক্ষমতায়ন, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে রাজশাহীতে লাইট হাউজ নাগরিক অধিকার ও জলবায়ু ন্যায্যতা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান (অতিরিক্ত সচিব)।
সুইজারল্যান্ড দূতাবাস ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে, সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-নাগরিকতা প্রোগ্রাম ও জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপের সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে লাইট হাউজ সংস্থা।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি, সমাজসেবা অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এম. ইলিয়াস হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এবং সঞ্চালনা করেন লাইট হাউজের নির্বাহী প্রধান মো. হারুন অর রশীদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, “নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠা টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লাইট হাউজের এই উদ্যোগ সামাজিক ন্যায়বিচার ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন আর দূরের কিছু নয়, এটি আমাদের বাস্তবতা। স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করেই টেকসই সমাধান সম্ভব। লাইট হাউজের এই উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।”
রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম বলেন, “জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সক্রিয় ভূমিকা জরুরি। এই প্রকল্প নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, “রাজশাহী জেলা প্রশাসন সবসময় নাগরিক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। লাইট হাউজের এই প্রকল্প স্থানীয় জনগণ, নারী নেত্রী ও সিভিল সোসাইটিকে একত্র করে জলবায়ু ন্যায্যতার বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ) মো. যোবায়ের হোসেন, সিইএফ-এর ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্ট আজিজা আসফিন, রাজশাহীর বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা।
সভায় আজিজা আসফিন প্রকল্পের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন এবং এর উদ্দেশ্য, কাঠামো ও প্রত্যাশিত ফলাফল তুলে ধরেন। পরে লাইট হাউজের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মুশফিকুর রহমান প্রকল্পের মূল কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন।
প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ছয়টি জেলায় নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সচেতনতা, যুব ও কিশোরীদের প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং, সিভিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় স্থানীয় উদ্যোগ জোরদার করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) ৫, ১৩ ও ১৬ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং রাজশাহীর সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

নারীর ক্ষমতায়ন, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে রাজশাহীতে লাইট হাউজ নাগরিক অধিকার ও জলবায়ু ন্যায্যতা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খান (অতিরিক্ত সচিব)।
সুইজারল্যান্ড দূতাবাস ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে, সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-নাগরিকতা প্রোগ্রাম ও জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপের সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে লাইট হাউজ সংস্থা।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি, সমাজসেবা অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এম. ইলিয়াস হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এবং সঞ্চালনা করেন লাইট হাউজের নির্বাহী প্রধান মো. হারুন অর রশীদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সাইদুর রহমান খান বলেন, “নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠা টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লাইট হাউজের এই উদ্যোগ সামাজিক ন্যায়বিচার ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”
বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন আর দূরের কিছু নয়, এটি আমাদের বাস্তবতা। স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করেই টেকসই সমাধান সম্ভব। লাইট হাউজের এই উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।”
রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম বলেন, “জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সক্রিয় ভূমিকা জরুরি। এই প্রকল্প নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।”
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, “রাজশাহী জেলা প্রশাসন সবসময় নাগরিক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। লাইট হাউজের এই প্রকল্প স্থানীয় জনগণ, নারী নেত্রী ও সিভিল সোসাইটিকে একত্র করে জলবায়ু ন্যায্যতার বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ) মো. যোবায়ের হোসেন, সিইএফ-এর ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্ট আজিজা আসফিন, রাজশাহীর বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা।
সভায় আজিজা আসফিন প্রকল্পের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন এবং এর উদ্দেশ্য, কাঠামো ও প্রত্যাশিত ফলাফল তুলে ধরেন। পরে লাইট হাউজের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মুশফিকুর রহমান প্রকল্পের মূল কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন।
প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ছয়টি জেলায় নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ, বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার সচেতনতা, যুব ও কিশোরীদের প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং, সিভিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় স্থানীয় উদ্যোগ জোরদার করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) ৫, ১৩ ও ১৬ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং রাজশাহীর সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম
১৭ ঘণ্টা আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা
১৯ ঘণ্টা আগে
গোলাগুলি শেষে সেনা সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি ম্যাগাজিন ও অন্
২০ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের একটি বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি করতে যান জেলা প্রশাসক। বাজারে গিয়ে দোকানিকে লেবুর হালি জিজ্ঞাসা করতেই দাম হাঁকেন ৪০ টাকা। এ সময় দাম কম বলায় লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
১ দিন আগে