
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর বাগমারায় ধর্ষণের শিকার হয়েছে বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকন্যা (৭)। বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, সোমবার দিনগত রাত ৩টার দিকে শিশুটিকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ওসিসিতে পাঠান।
ওসিসির সামনে শিশুটির চাচা জানান, দাম্পত্যকলহের জেরে পাঁচ বছর আগে বড় ভাইয়ের সংসার ভেঙে যায়। এরপর তিনি আরেকটি বিয়ে করে নিজ এলাকা তাহেরপুর ছেড়ে পাশের পুঠিয়া উপজেলার সরগাছি উত্তরপাড়ায় বসবাস শুরু করেন। কিন্তু ভাইয়ের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু কন্যাটি তাহেরপুরেই থেকে যায়। শিশুটিকে বাড়িতে রাখার চেষ্টা করলেও সে থাকত না। বরং তাহেরপুর বাজারে ঘুরে বেড়াত। কোনো সময় মানুষের বারান্দায় বা সিএনজিস্টেশনে ঘুমিয়ে পড়ত। সোমবার তাহেরপুর বাজারের স্থানীয়রা শিশুটিকে কলেজ গেটের পাশে বাগানের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় শিশুটির রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। সে অচেতন ছিল। তার মুখ দিয়ে মদজাতীয় নেশাদ্রব্যের দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এরপর তাকে দ্রুত বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাক্প্রতিবন্ধী পথশিশুটি তাহেরপুর বাজারে ঘুরে বেড়াত। এ সুযোগে সোমবার রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে বখাটে কোনো যুবক শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। রক্তমাখা পোশাকসহ আলামত সংগ্রহ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, শিশুটিকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করার পর ধর্ষণ করা হয়েছে। এখনো শিশুটির পরিবার অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজশাহীর বাগমারায় ধর্ষণের শিকার হয়েছে বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকন্যা (৭)। বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, সোমবার দিনগত রাত ৩টার দিকে শিশুটিকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ওসিসিতে পাঠান।
ওসিসির সামনে শিশুটির চাচা জানান, দাম্পত্যকলহের জেরে পাঁচ বছর আগে বড় ভাইয়ের সংসার ভেঙে যায়। এরপর তিনি আরেকটি বিয়ে করে নিজ এলাকা তাহেরপুর ছেড়ে পাশের পুঠিয়া উপজেলার সরগাছি উত্তরপাড়ায় বসবাস শুরু করেন। কিন্তু ভাইয়ের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু কন্যাটি তাহেরপুরেই থেকে যায়। শিশুটিকে বাড়িতে রাখার চেষ্টা করলেও সে থাকত না। বরং তাহেরপুর বাজারে ঘুরে বেড়াত। কোনো সময় মানুষের বারান্দায় বা সিএনজিস্টেশনে ঘুমিয়ে পড়ত। সোমবার তাহেরপুর বাজারের স্থানীয়রা শিশুটিকে কলেজ গেটের পাশে বাগানের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় শিশুটির রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। সে অচেতন ছিল। তার মুখ দিয়ে মদজাতীয় নেশাদ্রব্যের দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এরপর তাকে দ্রুত বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাক্প্রতিবন্ধী পথশিশুটি তাহেরপুর বাজারে ঘুরে বেড়াত। এ সুযোগে সোমবার রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে বখাটে কোনো যুবক শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। রক্তমাখা পোশাকসহ আলামত সংগ্রহ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, শিশুটিকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করার পর ধর্ষণ করা হয়েছে। এখনো শিশুটির পরিবার অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে।
১ দিন আগে
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা—একজন পুলিশ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
রাজধানীর গ্রিন রোডে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
১ দিন আগে
বর্ণিল পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙালি এই উৎসবে যোগ দেন, যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
২ দিন আগে