
রাজশাহী ব্যুরো

দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি বলেন, সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। জনগণের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ ও সেবামুখী মনোভাব নিশ্চিত করতে হবে। কারণ প্রশাসনের কাছে মানুষ ন্যায়বিচার ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী সার্কিট হাউজে আয়োজিত বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আমি রাজশাহীর মাটির সন্তান। আমরা একে অপরের সহকর্মী, কেউ কারও বস নই। আপনারা সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত— সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। আমার সন্তানও যদি আইন লঙ্ঘন করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
মিজানুর রহান মিনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের উন্নয়নে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকারের প্রতিটি দপ্তর সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হবে এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনতে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন নতুন যাত্রা সরকারের এই ভূমিমন্ত্রী। বলেন, রমজান মাসে জনদুর্ভোগ এড়াতে বাজার পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও জনসেবা খাতে সমন্বিত প্রস্তুতি নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
রাজশাহী প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, একসময় ‘শান্তির শহর’ ও ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে পরিচিত হলেও গত সতের বছরে সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। শহরটি এখন আর আগের মতো নিরাপদ নয়, ক্লিন সিটির দাবিও করা যাচ্ছে না। অথচ বিএনপির আমলে সাতবার পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় জানান মিনু। এ কাজে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
গত ৪৬ বছরে রাজশাহী সদর আসন থেকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। ৪৬ বছর পর মিনু এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। এর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এটি একক কোনো ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের ফল। প্রায় ২০ বছর পর রাজশাহীর জন্য নতুনভাবে পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিগগিরই রাজশাহীর উন্নয়নে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলাম, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও রাসিকের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি বলেন, সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। জনগণের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ ও সেবামুখী মনোভাব নিশ্চিত করতে হবে। কারণ প্রশাসনের কাছে মানুষ ন্যায়বিচার ও কার্যকর সেবা প্রত্যাশা করে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী সার্কিট হাউজে আয়োজিত বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, আমি রাজশাহীর মাটির সন্তান। আমরা একে অপরের সহকর্মী, কেউ কারও বস নই। আপনারা সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত— সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান। আমার সন্তানও যদি আইন লঙ্ঘন করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
মিজানুর রহান মিনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের উন্নয়নে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকারের প্রতিটি দপ্তর সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হবে এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনতে খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন নতুন যাত্রা সরকারের এই ভূমিমন্ত্রী। বলেন, রমজান মাসে জনদুর্ভোগ এড়াতে বাজার পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ও জনসেবা খাতে সমন্বিত প্রস্তুতি নিতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
রাজশাহী প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, একসময় ‘শান্তির শহর’ ও ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে পরিচিত হলেও গত সতের বছরে সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। শহরটি এখন আর আগের মতো নিরাপদ নয়, ক্লিন সিটির দাবিও করা যাচ্ছে না। অথচ বিএনপির আমলে সাতবার পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় জানান মিনু। এ কাজে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
গত ৪৬ বছরে রাজশাহী সদর আসন থেকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। ৪৬ বছর পর মিনু এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। এর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এটি একক কোনো ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের ফল। প্রায় ২০ বছর পর রাজশাহীর জন্য নতুনভাবে পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিগগিরই রাজশাহীর উন্নয়নে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল-ইসলাম, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও রাসিকের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে