
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ডেকোরেটর ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম (৪৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিসহ সাত ভাই-ভাতিজাকে দিনাজপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথা থেতলিয়ে হত্যা করার এ ঘটনায় মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ আল-রাজেক।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার হায়াতপুর পূর্বপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৬০), মফিজুল ইসলাম (৫০) ও সাদ্দাম হোসেন (৩৭), আশরাফুলের ছেলে আকবর আলী (২৮) ও বাবর আলী (১৯), মফিজুলের ছেলে মো. হানিফ (২৯) ও রমজান আলী (২০)। তারা সবাই রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেলশাদপুর শিয়ালমারা ও নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা।
নিহত মনিরুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ছিলেন। গত ৬ জুলাই বিকেলে জমি সংক্রান্ত একটি কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে উপজেলার আইহাই গ্রামের সাগরা মোড়ে তিনি হামলার শিকার হন।
র্যাব জানায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ৭ আসামি ও তাদের সঙ্গে থাকা আরও ৫-৬ জন মিলে মনিরুলকে পথরোধ করে গালিগালাজ করে এবং পরে বাঁশের লাঠি, হাতুড়ি, রড দিয়ে মাথা, বুক ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গোদাগাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের অবস্থান শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতা চালায়। তারা আত্মগোপনের চেষ্টা করছিল বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ আল-রাজেক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গোদাগাড়ী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ডেকোরেটর ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম (৪৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিসহ সাত ভাই-ভাতিজাকে দিনাজপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথা থেতলিয়ে হত্যা করার এ ঘটনায় মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ আল-রাজেক।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার হায়াতপুর পূর্বপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৬০), মফিজুল ইসলাম (৫০) ও সাদ্দাম হোসেন (৩৭), আশরাফুলের ছেলে আকবর আলী (২৮) ও বাবর আলী (১৯), মফিজুলের ছেলে মো. হানিফ (২৯) ও রমজান আলী (২০)। তারা সবাই রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেলশাদপুর শিয়ালমারা ও নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা।
নিহত মনিরুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ছিলেন। গত ৬ জুলাই বিকেলে জমি সংক্রান্ত একটি কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে উপজেলার আইহাই গ্রামের সাগরা মোড়ে তিনি হামলার শিকার হন।
র্যাব জানায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ৭ আসামি ও তাদের সঙ্গে থাকা আরও ৫-৬ জন মিলে মনিরুলকে পথরোধ করে গালিগালাজ করে এবং পরে বাঁশের লাঠি, হাতুড়ি, রড দিয়ে মাথা, বুক ও শরীরে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গোদাগাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের অবস্থান শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতা চালায়। তারা আত্মগোপনের চেষ্টা করছিল বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ আল-রাজেক জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গোদাগাড়ী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে।
২১ ঘণ্টা আগে
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা—একজন পুলিশ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
রাজধানীর গ্রিন রোডে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
১ দিন আগে
বর্ণিল পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কয়েক হাজার পাহাড়ী-বাঙালি এই উৎসবে যোগ দেন, যেখানে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।
২ দিন আগে