
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের চারটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এর মধ্যে তিনটি আসনে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। একটি আসনে মূল লড়াই হয়েছে এনসিপি প্রার্থীর সঙ্গে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলার চার আসনের ফলাফল পাওয়া যায়। বেসরকারি ফলাফল বলছে, লক্ষ্মীপুর -১ (রামগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী এনসিপি নেতা মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট।
শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দলটি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করেছে। এবারের নির্বাচনে দল বিলুপ্ত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া পেয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ১২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রেজাউল করিম পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৭৭৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান পেয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ৪৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা পেয়েছেন ৭০ হাজার ৯৯৮ ভোট।

লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের চারটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। এর মধ্যে তিনটি আসনে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। একটি আসনে মূল লড়াই হয়েছে এনসিপি প্রার্থীর সঙ্গে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলার চার আসনের ফলাফল পাওয়া যায়। বেসরকারি ফলাফল বলছে, লক্ষ্মীপুর -১ (রামগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী এনসিপি নেতা মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৭ ভোট।
শাহাদাত হোসেন সেলিম বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান ছিলেন। এই দলটি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করেছে। এবারের নির্বাচনে দল বিলুপ্ত করে নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া পেয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ১২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রেজাউল করিম পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৭৭৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান পেয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ৪৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা পেয়েছেন ৭০ হাজার ৯৯৮ ভোট।

ফলাফলে দেখা যায়, ১১০টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলে এহছানুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। সে হিসাবে মিলন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলালের চেয়ে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের সবগুলোতেই বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা। পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতেই তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। বাকি একটি আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বিএনপিরই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।
৩ ঘণ্টা আগে