
কার্ত্তিক দাস, নড়াইল

নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের সীতারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতায় ভুগছে। এতে মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এখন সেখানে খেলাধুলার পরিবর্তে মাছ চাষ করা হচ্ছে।
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে মাঠটি সামান্য বৃষ্টিতেই সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। বছরের বেশিরভাগ সময় মাঠটি পানিতে ডুবে থাকে। যে কারণে কোমলমতি শিশুরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে মোবাইল বা অনলাইন গেমে । এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী জরুরিভিত্তিতে মাঠ থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে শিশুদের জন্য খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি পার্শ্ববর্তী রাস্তা থেকে প্রায় ছয় ফুট নিচে অবস্থিত। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠটি সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। সারা বছরই পানি জমে থাকে। এটি যেন একটি ‘জলাশয়’। মাঠটিতে হাঁটু সমান পানি জমে থাকায় স্থানীয়রা মাছের চাষ করছেন।
বিদ্যালয় সংলগ্ন দোকানি তুষার রায় জানান, মাঠটি রাস্তা থেকে অনেক নিচু হওয়ায় এবং চারদিকে রাস্তা থাকার কারণে বর্ষার পানি সরতে পারে না। ফলে মাঠটি সারা বছরই তলিয়ে থাকে।
সীতারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মাৎ সবেদা খাতুন বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ঢালু জায়গায় দিয়ে পানি বের করার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত পথ না থাকায় পার্শ্ববর্তী বাড়িগুলোতে পানি ঢুকে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী। পরে সেটি বন্ধ করে দিতে হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, মাঠের বর্তমান অবস্থা খুবই করুণ। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সবসময় পানি জমে থাকে। পুরো মাঠ আগাছা ও জঙ্গলে ভরে গেছে।
তিনি বলেন, ‘মাঠ সংস্কার ও মাটি ভরাটের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।’
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, এই বিষয়ে লিখিত আবেদন পেলে মাঠের পানি নিষ্কাশন ও বালু ভরাট করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের সীতারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতায় ভুগছে। এতে মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এখন সেখানে খেলাধুলার পরিবর্তে মাছ চাষ করা হচ্ছে।
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে মাঠটি সামান্য বৃষ্টিতেই সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। বছরের বেশিরভাগ সময় মাঠটি পানিতে ডুবে থাকে। যে কারণে কোমলমতি শিশুরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে মোবাইল বা অনলাইন গেমে । এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী জরুরিভিত্তিতে মাঠ থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে শিশুদের জন্য খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি পার্শ্ববর্তী রাস্তা থেকে প্রায় ছয় ফুট নিচে অবস্থিত। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠটি সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়। সারা বছরই পানি জমে থাকে। এটি যেন একটি ‘জলাশয়’। মাঠটিতে হাঁটু সমান পানি জমে থাকায় স্থানীয়রা মাছের চাষ করছেন।
বিদ্যালয় সংলগ্ন দোকানি তুষার রায় জানান, মাঠটি রাস্তা থেকে অনেক নিচু হওয়ায় এবং চারদিকে রাস্তা থাকার কারণে বর্ষার পানি সরতে পারে না। ফলে মাঠটি সারা বছরই তলিয়ে থাকে।
সীতারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মাৎ সবেদা খাতুন বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ঢালু জায়গায় দিয়ে পানি বের করার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত পথ না থাকায় পার্শ্ববর্তী বাড়িগুলোতে পানি ঢুকে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী। পরে সেটি বন্ধ করে দিতে হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, মাঠের বর্তমান অবস্থা খুবই করুণ। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সবসময় পানি জমে থাকে। পুরো মাঠ আগাছা ও জঙ্গলে ভরে গেছে।
তিনি বলেন, ‘মাঠ সংস্কার ও মাটি ভরাটের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।’
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, এই বিষয়ে লিখিত আবেদন পেলে মাঠের পানি নিষ্কাশন ও বালু ভরাট করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর বনানীতে সড়ক বিভাজকে উঠে যাওয়া একটি বাসের চাপায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
১৭ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১৮ ঘণ্টা আগে
আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দশকের বেশি সময় ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বাঁশহাটী বাজারের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরকার প্রায় ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক তদন্তে উঠে এসেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে