
নওগাঁ প্রতিনিধি

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত নওগাঁর সাতজনের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে একসঙ্গে। নিহত এই সাতজনের বাড়িই নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। তাদেত জানাজায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদে ওই সোফা কারখানার আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৯ জনের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে দূতাবাস। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হয়।
শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে সাতজনের বাড়িই ছিল নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে প্রশাসনের সহায়তায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আত্রাই উপজেলায় পাঠানো হয়।
এই সাতজন হলেন– আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ; গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামানিক, মোহন আলী, সুমন আলী ও কলিমুদ্দিন; ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা; এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার।
শুক্রবার সকালে জানাজায় নওগাঁ-৬ (আত্রাই -রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা অংশ নেন।
জানাজা নামাজ শেষে মরদেহগুলো নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের পথে রওয়ানা দেন।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোকে ওয়েজ অর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদের ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত নওগাঁর সাতজনের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে একসঙ্গে। নিহত এই সাতজনের বাড়িই নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। তাদেত জানাজায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদে ওই সোফা কারখানার আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৯ জনের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে দূতাবাস। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হয়।
শনাক্ত হওয়া ৯ জনের মধ্যে সাতজনের বাড়িই ছিল নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে প্রশাসনের সহায়তায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আত্রাই উপজেলায় পাঠানো হয়।
এই সাতজন হলেন– আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ; গণ্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামানিক, মোহন আলী, সুমন আলী ও কলিমুদ্দিন; ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা; এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরদার।
শুক্রবার সকালে জানাজায় নওগাঁ-৬ (আত্রাই -রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা অংশ নেন।
জানাজা নামাজ শেষে মরদেহগুলো নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের পথে রওয়ানা দেন।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোকে ওয়েজ অর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদের ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হওয়ার পর বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে বকুল মিয়াকে (৫০) দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
১ দিন আগে
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছর বয়সী ছেলেকে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য দিয়েছে পুলিশ। আগের বক্তব্য থেকে সরে এসে পুলিশ জানিয়েছে, গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়েকে বাসার তৃতীয় তলার খোলা ছাদে হত্যা করা হয়।
১ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সার সরকারের হাতে মজুত রয়েছে। দেশের ১৩৩টি গুদাম ও ৩৩টি বাফার গুদামে সার সংরক্ষিত আছে। তাই সার নিয়ে কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
২ দিন আগে
অভিযানের সময় খাইরুল ইসলামের দোকানে ২৮ বস্তা এমওপি, ১৪৭ বস্তা টিএসপি, ৯ বস্তা ডিএপি ও ৮৭ বস্তা ইউরিয়াসহ মোট ২৭১ বস্তা সার পাওয়া যায়। তবে এসব সার মজুতের বিপরীতে বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি খাইরুল।
২ দিন আগে