
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেজে অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ৬০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। একই সঙ্গে প্রকল্পের কয়েকটি ভবনে বন্ধ রয়েছে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে প্রকল্পের বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বায়েক) কার্যালয়ে আগুন লাগলেও তা জানা যায় মঙ্গলবার রাতে।
পাবনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী জানান, রোববার গভীর রাতে বায়েকের পাইওনিয়ার বেজের সার্ভার রুমে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ও ধোঁয়া আশপাশের কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অগ্নিকাণ্ডে বায়েকের সার্ভার রুমসহ আশপাশের কয়েকটি কক্ষ পুড়ে গেছে। আগুনে কম্পিউটার, এসি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে পাইওনিয়ার বেজসহ আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) ও বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
প্রকল্পের একজন সাইট ইনচার্জ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আগুন লাগার পর বুধবার বেলা ১২টা পর্যন্তও গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। এতে প্রকল্পে কর্মরতদের আন্তঃযোগাযোগে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমনকি কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনেও বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং সার্ভার রুম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথিপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।
রূপপুর গ্রিনসিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সার্ভার রুমের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হলে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ কথা বলেননি। প্রকল্প পরিচালক (পিডি) কবীর হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পাশাপাশি খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেজে অগ্নিকাণ্ডের প্রায় ৬০ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। একই সঙ্গে প্রকল্পের কয়েকটি ভবনে বন্ধ রয়েছে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে প্রকল্পের বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বায়েক) কার্যালয়ে আগুন লাগলেও তা জানা যায় মঙ্গলবার রাতে।
পাবনা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী জানান, রোববার গভীর রাতে বায়েকের পাইওনিয়ার বেজের সার্ভার রুমে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ও ধোঁয়া আশপাশের কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অগ্নিকাণ্ডে বায়েকের সার্ভার রুমসহ আশপাশের কয়েকটি কক্ষ পুড়ে গেছে। আগুনে কম্পিউটার, এসি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং ইন্টারনেট সার্ভারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে পাইওনিয়ার বেজসহ আশপাশের দুটি ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) ও বায়েকের বিভিন্ন কার্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
প্রকল্পের একজন সাইট ইনচার্জ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আগুন লাগার পর বুধবার বেলা ১২টা পর্যন্তও গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। এতে প্রকল্পে কর্মরতদের আন্তঃযোগাযোগে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমনকি কাস্টমস ভবন ও ক্যান্টিনেও বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং সার্ভার রুম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথিপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।
রূপপুর গ্রিনসিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সার্ভার রুমের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও কাগজপত্র পুড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সাদেকুল বারী বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হলে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ কথা বলেননি। প্রকল্প পরিচালক (পিডি) কবীর হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পাশাপাশি খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর উত্তরায় বিমানবন্দরের পাশে সেন্টারপয়েন্ট শপিং মলের একটি রেস্তোরাঁয় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১০ ঘণ্টা আগে
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিদিশার জামিনের সব কাগজপত্র কারাগারে আসার পর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সব নথিপত্র ঠিকঠাক থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশ হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগে করা একটি মামলায় হাফিজুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
বিটিসিএলের ওই কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. সাইফুল বলেন, সকালে তিনজন যুবক বিটিসিএল অফিসের দেয়াল টপকে ‘চুরির উদ্দেশ্যে’ ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করেন। এতে দুজন পালিয়ে যেতে পারলেও একজন ধরা পড়ে।
১ দিন আগে