
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দশ দিন বয়সী নিজ শিশুকন্যাকে পানিতে ফেলে হত্যার পর ১৭ বছর বয়সী এক নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ঈদগাঁও খেয়াঘাট বাওড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের তাপস মণ্ডলের মেয়ে ছিল।
শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি বলেন, “বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ১০ দিন বয়সী মেয়েকে নিয়ে ওই কিশোরী গোপালপুরের পশ্চিমপাড়া এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়। পরে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে মধ্যপাড়া ঈদগাঁও খেয়াঘাট এলাকায় যায়।
“সেখানে বর্নি বাওড়ে সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করতে পানিতে ঝাঁপ দেয়। তখন মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন ব্যক্তি পানির মধ্যে ঝাঁপাঝাঁপি করতে দেখে নৌকা নিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শিশু সন্তানকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে ওই কিশোরী তখন উদ্ধারকারীদের জানান।”
পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে বাওড় থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ওই কিশোরী কি কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত বলা যাবে।”
এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দশ দিন বয়সী নিজ শিশুকন্যাকে পানিতে ফেলে হত্যার পর ১৭ বছর বয়সী এক নারী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ঈদগাঁও খেয়াঘাট বাওড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের তাপস মণ্ডলের মেয়ে ছিল।
শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি বলেন, “বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ১০ দিন বয়সী মেয়েকে নিয়ে ওই কিশোরী গোপালপুরের পশ্চিমপাড়া এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়। পরে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে মধ্যপাড়া ঈদগাঁও খেয়াঘাট এলাকায় যায়।
“সেখানে বর্নি বাওড়ে সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করতে পানিতে ঝাঁপ দেয়। তখন মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন ব্যক্তি পানির মধ্যে ঝাঁপাঝাঁপি করতে দেখে নৌকা নিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শিশু সন্তানকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে ওই কিশোরী তখন উদ্ধারকারীদের জানান।”
পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে বাওড় থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ওই কিশোরী কি কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত বলা যাবে।”
এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ পারভীন তার দুই যমজ মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঢাকাগামী 'নীলফামারী ট্রাভেলস' নামক একটি বাস তাদের সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক মনিরুল ইসলাম গুরুতর আহত হলেও মমতাজের অপর কন্যা মুবাশ্বিরা ভাগ্যক্রম
১ দিন আগে
বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা
১ দিন আগে
গোলাগুলি শেষে সেনা সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি ম্যাগাজিন ও অন্
১ দিন আগে
সুনামগঞ্জের একটি বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি করতে যান জেলা প্রশাসক। বাজারে গিয়ে দোকানিকে লেবুর হালি জিজ্ঞাসা করতেই দাম হাঁকেন ৪০ টাকা। এ সময় দাম কম বলায় লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
১ দিন আগে