
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়কে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল। ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেত্রকোনা জেলা শাখার সহসভাপতি শামসুল হুদা শামীমের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেত্রকোনা জেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দূর্গাপুর উপজেলার ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়কে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছাত্রদল নেত্রকোন জেলা শাখার সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সারোয়ার আলম এলিন ও সাধারণ সম্পাদক অনিক মাহাবুব চৌধুরী এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে নির্দেশও দেওয়া হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এর আগে দুর্গাপুরের এক কলেজছাত্রীকে (২২) ধর্ষণ করার অভিযোগে ছাত্রদল নেতা দুর্জয়কে মঙ্গলবার পৌরসভার বিরিশিরি এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, নেত্রকোনা শহরের ওই ছাত্রী রাজধানীর একটি কলেজে পড়ালেখা করেন। তার সঙ্গে নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা ও জেলা শহরের একটি কলেজের এক শিক্ষার্থীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি উভয়ের পরিবারের সিদ্ধান্তে তাদের বিয়ে ঠিক হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা আরও জানান, সোমবার ওই হবু দম্পতি দুর্গাপুরে ঘুরতে যান। ওই ছাত্রের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়ের বন্ধুত্ব থাকায় তার কথামতো তারা সেখানে একটি হোটেলে ওঠেন। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ওই ছাত্র হোটেলে থেকে বের হয়ে খাবার কিনতে যান। এ সময় মেয়েটি ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুর্জয় পুলিশকে জানান, তার বন্ধু নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ যেন দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে দুর্জয় ওই হোটেলে গিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।
এদিকে পুলিশ দুর্জয়ের বন্ধুকে আটক করে। এ সময় ওই ছাত্র পুলিশকে জানান, তার হবু স্ত্রী হোটেলের কক্ষে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছেন। পরে পুলিশ ওই ছাত্রকে নিয়ে হোটেলের কক্ষে গেলে দরজা বন্ধ অবস্থায় ছাত্রীর চিৎকার শুনে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও ছাত্রদল নেতা দুর্জয়কে আটক করে।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে ওই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ফয়সাল আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ওসি মাহমুদুল বলেন, মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার দুর্জয়কে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বুধবার সকালে তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়কে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল। ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেত্রকোনা জেলা শাখার সহসভাপতি শামসুল হুদা শামীমের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেত্রকোনা জেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দূর্গাপুর উপজেলার ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়কে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ছাত্রদল নেত্রকোন জেলা শাখার সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) সারোয়ার আলম এলিন ও সাধারণ সম্পাদক অনিক মাহাবুব চৌধুরী এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে নির্দেশও দেওয়া হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এর আগে দুর্গাপুরের এক কলেজছাত্রীকে (২২) ধর্ষণ করার অভিযোগে ছাত্রদল নেতা দুর্জয়কে মঙ্গলবার পৌরসভার বিরিশিরি এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, নেত্রকোনা শহরের ওই ছাত্রী রাজধানীর একটি কলেজে পড়ালেখা করেন। তার সঙ্গে নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার বাসিন্দা ও জেলা শহরের একটি কলেজের এক শিক্ষার্থীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি উভয়ের পরিবারের সিদ্ধান্তে তাদের বিয়ে ঠিক হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা আরও জানান, সোমবার ওই হবু দম্পতি দুর্গাপুরে ঘুরতে যান। ওই ছাত্রের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা ফয়সাল আহমেদ দুর্জয়ের বন্ধুত্ব থাকায় তার কথামতো তারা সেখানে একটি হোটেলে ওঠেন। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে ওই ছাত্র হোটেলে থেকে বের হয়ে খাবার কিনতে যান। এ সময় মেয়েটি ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুর্জয় পুলিশকে জানান, তার বন্ধু নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ যেন দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে দুর্জয় ওই হোটেলে গিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।
এদিকে পুলিশ দুর্জয়ের বন্ধুকে আটক করে। এ সময় ওই ছাত্র পুলিশকে জানান, তার হবু স্ত্রী হোটেলের কক্ষে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছেন। পরে পুলিশ ওই ছাত্রকে নিয়ে হোটেলের কক্ষে গেলে দরজা বন্ধ অবস্থায় ছাত্রীর চিৎকার শুনে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও ছাত্রদল নেতা দুর্জয়কে আটক করে।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে ওই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ফয়সাল আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ওসি মাহমুদুল বলেন, মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার দুর্জয়কে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বুধবার সকালে তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে
প্রাথমিকভাবে এই রুটে বিআরটিসির দুটি বাস চলবে। এর মধ্যে একটি দ্বিতল ও অন্যটি একতলা। কালুরঘাট থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত চলাচল করবে বাস দুটি। ৭৫ আসনের দ্বিতল বাসটির পাশাপাশি থাকছে ৪৫ আসনের একটি একতলা বাস।
৩ দিন আগে